ঠাকুরগাঁওয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিজ স্ত্রী কর্তৃক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক স্বামী।
শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের শহীদ মোহাম্মদ আলী সড়কের একটি রেস্তোরাঁয় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী স্বামী আজহারুল ইসলাম ও তার পরিবার। তিনি নিজেকে ঠাকুরগাঁও সদরের সালন্দর সিংপাড়া তালিমুল কুরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দেন।
লিখিত বক্তব্যে আজহারুল ইসলাম জানান, ১৯৯৯ সালের আগস্ট মাসে সালন্দর এলাকার সোলেমান আলীর মেয়ে লাভলী বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী বিভিন্ন সময়ে তার পৈত্রিক জমি নিজের নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। প্রথমে বিষয়টি স্বাভাবিক মনে করলেও পরে তা ক্রমশ বেড়ে যায় এবং একপর্যায়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে রূপ নেয় বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল তিনি আইনগতভাবে স্ত্রীকে তালাক দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ মে লাভলী বেগম, তার ভাই সাদ্দাম ও ইউনুসসহ ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল তার বাড়ি ও মাদ্রাসায় হামলা চালায় এবং মাদ্রাসার দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে বলে জানান আজহারুল ইসলাম। এ ঘটনায় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা আহত হয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন বলেও দাবি করেন।
তার অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে তিনি নিজ বাড়িতে যেতে পারছেন না এবং মাদ্রাসাটি তালাবদ্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভাই আব্দুল আলিম ও জাহাঙ্গীর আলম।
প্রতিনিধি/আরএইচ