নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ১৮ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে বুধবার বিকেলে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়ন থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তার আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া (৫০) উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের মৃত আব্দুল হক ভূঁইয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনমজুর আব্দুল লতিফ প্রায় দুই বছর ধরে মেয়েকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করতেন। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত একাধিকবার তিনি মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন।
একপর্যায়ে ভুক্তভোগী বিষয়টি তাঁর চাচা ও জ্যাঠাদের জানান। পরে গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে সেনবাগ উপজেলা জামায়াতের নেতা মাওলানা হানিফ এবং ডমুরুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুল হক টিটুর নেতৃত্বে ভুক্তভোগীর বাড়িতে একটি গ্রাম্য সালিশ বসে। সেখানে অভিযুক্তকে ৩৩ বেত্রাঘাত, জুতার মালা পরানো এবং নাকে খত দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।
পরে সালিশের বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
ওসি আব্দুর রহিম সরকার বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিনিধি/আরএইচ