যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের খেলাধুলার উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় বর্তমানে প্রায় ৩০০ খেলোয়াড়কে পেশাগত স্বীকৃতির অংশ হিসেবে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২০০ জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করে মোট ৫০০ জনকে এ সুবিধার আওতায় আনা হবে।
শনিবার (৪ জুলাই) খুলনার রূপসা উপজেলার পালেরহাট মাঠে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা বাংলাদেশকে একটি ক্রীড়াবান্ধব দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের পেশাগত স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “খুলনা বিকেএসপিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার চেষ্টা করব। ঢাকাসহ সারা দেশের প্রতিটি অঞ্চলে মাঠ সংরক্ষণ ও সংস্কার করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই।”
তিনি জানান, দেশের আটটি বিভাগ ও ১০টি অঞ্চলকে কেন্দ্র করে ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব ভিলেজে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
মো. আমিনুল হক বলেন, “খেলাধুলার মাধ্যমে আমরা একটি সুস্থ জাতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পারব।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস. কে. আজিজুল বারী হেলাল, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা পরিষদের প্রশাসক মনিরুল ইসলাম বাপ্পি, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব আবু হোসেন বাবু এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক খান জুলফিকার আলী জুলু।
বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল প্রতিযোগিতা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, খুলনা-৪ আসনের রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ১৫টি দল অংশ নিচ্ছে। উদ্বোধনী খেলায় রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন এবং তেরখাদা উপজেলার মধুগ্রাম ইউনিয়ন মুখোমুখি হয়।
প্রতিনিধি/আরএইচ