দেশে চলমান বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে আজ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে। পাওয়ার সিস্টেমের ‘ফোরকাস্ট সিনারিও’ বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে। সূচি অনুযায়ী, দিনের শেষভাগে অর্থাৎ রাতের দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি সবচেয়ে তীব্র রূপ নিতে পারে।
শুক্রবার দুপুরে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) পিএলসি থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এই প্রাক্কলন করা হয়েছে। পিজিসিবির তথ্যমতে, দুপুরের পর থেকেই মূলত সারাদেশে বিদ্যুৎ ঘাটতির পরিমাণ বাড়তে থাকবে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, দুপুর ১২টায় ৩৬৩ মেগাওয়াট, বেলা ১টায় ১ হাজার ১৪১ মেগাওয়াট এবং বিকেল ৩টায় ৯৪১ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। পরবর্তীতে বিকেল ৪টায় ঘাটতি কিছুটা কমে ৭৩৮ মেগাওয়াট এবং বিকেল ৫টায় ৫২৭ মেগাওয়াটে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লোডশেডিংয়ের পরিমাণও দ্রুত বাড়বে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ২৬৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং হলেও সন্ধ্যা ৭টায় তা একলাফে বেড়ে ১ হাজার ৮ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। এরপর রাত সাড়ে ৭টায় ১ হাজার ৭০৪ মেগাওয়াট এবং রাত ৮টায় ১ হাজার ৭৪৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। রাত ৯টায় লোডশেডিং বেড়ে ২ হাজার ১৩৩ মেগাওয়াট এবং রাত ১০টায় ২ হাজার ১৬ মেগাওয়াট হতে পারে। সবশেষে রাত ১১টায় দিনের সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
পূর্বাভাসে আরও উল্লেখ করা হয়, রাত ১১টার দিকে দেশে বিদ্যুতের সম্ভাব্য চাহিদা দাঁড়াবে ১৭ হাজার ১৪০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বা পূর্বাভাস রয়েছে ১৪ হাজার ৩১৭ মেগাওয়াট।
উল্লেখ্য, চলতি আগস্ট মাসজুড়েই দেশের বিদ্যুৎ খাত ঘাটতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মাসটির বিভিন্ন সময়ে গড়ে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিংয়ের তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে।
দেশবার্তা/একে