খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট হাজী নঈম উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক দশম শ্রেণির ছাত্রীকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বিদ্যালয়ের বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে তিনি খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্কুল শেষে ওই ছাত্রী বাড়ি চলে যায়। সেদিন তার প্রাইভেট ক্লাস না থাকলেও বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক পরীক্ষার্থী ব্যাচের জন্য তাকে স্কুলে আসতে বলেন। পরে তিনি পুনরায় বিদ্যালয়ে ফিরে এসে শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে ওয়াশরুমে যান।
ছাত্রীর দাবি, ওয়াশরুমে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই পেছন থেকে কে বা কারা তার মাথায় আঘাত করে এবং চেতনানাশক স্প্রে করে। কয়েক ঘণ্টা পর তার জ্ঞান ফিরলে তিনি দেখতে পান, ওয়াশরুমের দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ। তখন তিনি চিৎকার শুরু করেন।
সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিদ্যালয়ের চলমান নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা তার চিৎকার শুনে ওয়াশরুমের তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
প্রতিনিধি/আরএইচ