কুড়িগ্রামে পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে পরিবেশ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘মনিটরিং অ্যান্ড ইনফোর্সমেন্ট উইংয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, মান উন্নয়ন ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ’ প্রকল্পের আওতায় এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক নুর আলম, মনিটরিং অ্যান্ড ইনফোর্সমেন্ট উইংয়ের প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ আহমেদ কবীর, পরিবেশ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগের রিসার্চ অফিসার রুনায়েত আমিন রেজা, কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মীর্জা মো. নাসির উদ্দীন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আ ন ম গোলাম মোহাইমেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহ. হুমায়ুন কবির, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক আবদুর রাজ্জাক রনি, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান, সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, ফ্রেন্ডশিপের আঞ্চলিক সমন্বয়ক আব্দুস সালাম, নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান নিশাতসহ ইটভাটা, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও পরিবেশকর্মীদের প্রতিনিধিরা।
সভায় পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পরিবেশবিষয়ক আইন ও বিধিবিধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিবেশের মান উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়।
জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ শুধু কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার দায়িত্ব নয়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পাশাপাশি সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। শুধু আইন দিয়ে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশের মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।’
সভায় পরিবেশ সংরক্ষণে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং ও ইনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।
প্রতিনিধি/আরএইচ