আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে হওয়া ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা পর্যালোচনা করছে বর্তমান সরকার। এসব চুক্তির কোনগুলো দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং কোনগুলো পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে, তা যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আজ শুক্রবার জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চিফ হুইপ। গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন। এই অধিবেশন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করা হয়।
জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ৬টি বিল পাস, ১২৪টি নোটিশের ওপর আলোচনা এবং ১৬৭৮টি প্রশ্নের আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা করা হয়েছে, সেগুলো সরকার পর্যালোচনা করছে।
দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চুক্তিগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। চিফ হুইপ বলেন, বিভিন্ন অনৈতিক চুক্তি থেকে বের হয়ে আসছে বর্তমান সরকার। বিএনপি সরকারের মূলনীতি হচ্ছে- সবার আগে বাংলাদেশ। তিনি জানান, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত আমন্ত্রণ জানায়নি।
স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে আমন্ত্রণ না জানানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ। নুরুল ইসলাম মনি বলেন, চট্টগ্রাম পোর্টে বাংলাদেশ ও বন্ধু দেশের দুইটি জাহাজ একসঙ্গে আসলে, বন্ধু দেশের জাহাজ আগে খালাস হবে। দেশের স্বার্থ বিরোধী এমন অসংখ্য চুক্তি করে গেছেন শেখ হাসিনা।
আমরা সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি। আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষার পরেই বন্ধুত্ব বজায় রাখা হবে। চিফ হুইপ আরও বলেন, এই দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমরা স্বাবলম্বী করতে চাই এই দেশকে। এর জন্য আমাদের যা যা করা দরকার আমরা তাই করবো।
দেশবার্তা/জেএ