চট্টগ্রামে বন্যায় ১৩ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঝুঁকিতে সাড়ে ১৭ হাজার গর্ভবতী

দেশবার্তা প্রতিবেদক

জাতীয়

চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা ও ভূমিধসে সাতটি জেলায় অন্তত ১৩ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ১ লাখ

2026-08-19T13:58:09+06:00
2026-08-19T13:58:09+06:00
বুধবার ● ১৯ আগস্ট ২০২৬,
৪ ভাদ্র ১৪৩৩
 ইপেপার   ভিডিও 

বুধবার ● ১৯ আগস্ট ২০২৬
চলমান বার্তা:
জাতীয়
চট্টগ্রামে বন্যায় ১৩ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঝুঁকিতে সাড়ে ১৭ হাজার গর্ভবতী
দেশবার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৮ পিএম 
ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা ও ভূমিধসে সাতটি জেলায় অন্তত ১৩ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার কিশোরী এবং ১৭ হাজার ৪৯০ জন গর্ভবতী নারী রয়েছেন। 

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) পরিস্থিতি সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বন্যায় কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৪৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছে ৯ হাজার ৭০৭ জন। এ ছাড়া চরম সংকটের মুখে পড়েছে আক্রান্ত এলাকার ১৫ হাজার ৬০০ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও প্রায় ২০০ হিজড়া জনগোষ্ঠীর মানুষ।

ইউএনএফপিএর প্রতিবেদনে বান্দরবানকে সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির জেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলাটিতে বন্যায় আটকা পড়েছেন প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার গর্ভবতী নারী। পাহাড়ি অঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করা কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুটি নারীবান্ধব কেন্দ্র ও চারটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্লাবিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়, আলো ও গোপনীয়তার অভাব এবং পৃথক স্যানিটেশন সুবিধা না থাকায় নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা ঝুঁকি বহুগুণ বেড়েছে। উদ্ভূত চরম অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এলাকায় বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমের মতো ক্ষতিকর প্রবণতা বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরে সংস্থাটি জানায়, এ পর্যন্ত ১ হাজার ১৮ জন নারীকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪ হাজার ৫০০টি ডিগনিটি কিট এবং ১ হাজার ৯৫১টি মাসিক স্বাস্থ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

তবে মানবিক সহায়তা চালু রাখতে নির্ধারিত ৯ লাখ ৬৬ হাজার ৯৩০ ডলারের বিপরীতে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার ৩৩০ ডলার সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। ফলে এখনো ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৬০০ ডলারের বড় ধরনের তহবিল ঘাটতি রয়েছে।

এমন অবস্থায় প্রতিবেদনে জরুরি প্রসূতি সেবা অব্যাহত রাখা, যাতায়াতব্যবস্থা দ্রুত পুনরুদ্ধার করা এবং নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংস্থাটি এই মুহূর্তে বিরাজমান ৮৭ শতাংশ তহবিল ঘাটতি দ্রুত মেটানোর আহ্বান জানিয়েছে।

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

পর্নোগ্রাফি তৈরি-বিক্রি: রাজধানীতে ইনফ্লুয়েন্সার গ্রেপ্তার
রাণীনগরে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, দুই ডিলারকে জরিমানা
মাগুরায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
মানিকগঞ্জে ভেজাল ছানা-ঘি তৈরির অভিযোগে কারখানা সিলগালা
মোরেলগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান: গাঁজাসহ আটক ২

সর্বাধিক পঠিত 

চান্দিনা বাসস্ট্যান্ডে এআই ক্যামেরার সামনেই অবৈধ পার্কিং
মায়ের সঙ্গে স্কুলে যাওয়া হলো না শিফার
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরালো করার আহ্বান আফগান দূতের
ভারতীয় সেনাপ্রধান নেপাল সেনাবাহিনীর জেনারেল হলেন
ফুলবাড়ীতে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
জাতীয়- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]