নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা গ্রামীণ সড়ক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে জিআইএসভিত্তিক কোর রোড নেটওয়ার্ক, অগ্রাধিকার ও তথ্য যাচাই-বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বন্দর উপজেলা প্রকৌশলী এস এম সামিন ইশরাকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আলোচক হিসেবে ছিলেন জিআইএস অ্যানালিস্ট বেস্ট ধরনী চাকমা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
এ ছাড়া কর্মশালায় বিভিন্ন ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান, মেম্বার, স্কুলশিক্ষক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকেরা অংশ নেন।
প্রকল্পটি এডিবির অর্থায়নে বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
কর্মশালায় সভাপতি ও বন্দর উপজেলা প্রকৌশলী এস এম সামিন ইশরাক বলেন, ‘সকল উপজেলায় যে বড় রাস্তাগুলো আছে সেগুলোকে নিয়ে আমরা যদি একটা নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারি তাহলে সেই নেটওয়ার্কটা আমরা পরবর্তীতে চওড়া করে ১৮ ফুট বা ২৪ ফুট যেভাবে পারি, সেক্ষেত্রে আমরা চওড়া করতে পারব। এটা হচ্ছে প্রথম সুবিধা। দ্বিতীয় সুবিধা হচ্ছে তাদের কিছু দাবি আছে। দাবিগুলো কী? যে আমরা যে রাস্তাগুলো এখন সিলেক্ট করে দিব, এই রাস্তাগুলো উপজেলা টু উপজেলা সংযোগ হবে অথবা উপজেলা টু জেলা সংযোগ হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এমনভাবে হবে গোটা সার্কুলার যেন আমরা একটা নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারি। এটার সুবিধাটা কী হবে? এটার সুবিধা হচ্ছে আপনার আমরা যখন পরবর্তীতে রাস্তার আনুমানিক হিসাব করব বা ডিজাইন (নকশা) প্রস্তাব করব, এখন আমরা সাধারণত ১৮ ফুট বা প্রস্তাব করি। বা এলজিইডির ক্যাপাসিটি হচ্ছে ২৪ ফুট পর্যন্ত করা। পরবর্তীতে হয়তো দেখা যেতে পারে যে আমরা কোড যেগুলো এখন আজকে সিলেকশন (নির্বাচন) করে নিতেছি, এগুলো আমরা নেটওয়ার্কে ঢুকে গেলে আমরা এগুলো পরবর্তীতে ২৪ ফুট পর্যন্ত নিতে পারব। আর ১০ বা ১৫ বছর পরে সাধারণ ২৪ ফুটের রাস্তা আমার লাগবে। গ্রামের রাস্তা বলে আসলে কিছু থাকবে না, সবাই এখন গ্রামে গাড়ি, ট্রাক চলতেছে, বড় বড় গাড়ি চলতেছে।’
প্রতিনিধি/আরএইচ