পৌরসভায় টাকা না দিলে মিলছে না নাগরিকসেবা

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

সারাদেশ

জয়পুরহাট পৌরসভায় নাগরিকত্ব,জাতীয় পরিচয় পত্র, মৃত্যু বা ওয়ারিশান সনদ পেতে হলে আগে সাবমার্সিবল পাম্পের ফি বাবদ সাড়ে ৬

2026-08-20T12:04:10+06:00
2026-08-20T12:04:10+06:00
বৃহস্পতিবার ● ২০ আগস্ট ২০২৬,
৫ ভাদ্র ১৪৩৩
 ইপেপার   ভিডিও 

বৃহস্পতিবার ● ২০ আগস্ট ২০২৬
চলমান বার্তা:
সারাদেশ
পৌরসভায় টাকা না দিলে মিলছে না নাগরিকসেবা
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৪ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
জয়পুরহাট পৌরসভায় নাগরিকত্ব,জাতীয় পরিচয় পত্র, মৃত্যু বা ওয়ারিশান সনদ পেতে হলে আগে সাবমার্সিবল পাম্পের ফি বাবদ সাড়ে ৬ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হচ্ছে। আর টাকার রসিদ না দেখালে মিলছে না কোনো সনদ। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে এভাবেই জিম্মি করে ফি আদায় করছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের এমন অদ্ভুত ও চাপিয়ে দেওয়া নিয়মের জাঁতাকলে পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে প্রতিদিন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের অসংখ্য মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পৌরসভা থেকে নাগরিকত্ব কিংবা স্বজনের মৃত্যু সনদ পাওয়া যেকোনো নাগরিকের সাধারণ অধিকার। কিন্তু জয়পুরহাটে রাজস্ব বাড়ানোর খোঁড়া যুক্তিতে এই সেবাগুলোকে সাবমার্সিবল পাম্পের ফি-রা সাথে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সাধারণ মানুষের তোপের মুখে পড়ে সাময়িকভাবে কিছু সনদ ইস্যু করা হলেও হয়রানি একটুও কমেনি।

পৌরসভার বুলুপাড়ার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম রোস্তম বলেছেন, ‘বাসায় নিজস্ব পাম্প থাকলে পানি সংযোগের জন্য ৬ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিয়েছি। এরপরও ওয়ারিশান সনদের জন্য দুই দিন ধরে ঘুরছি। ওয়ারিশান সার্টিফিকেটের সাথে পাম্পের ফি'র কী সম্পর্ক, সেটাই বুঝতে পারছি না।’

পৌর এলাকার মোত্তালেব হোসেন বললেন, ‘যে রিকশা চালিয়ে সংসার চালায়, তার পক্ষে কি ৬ হাজার টাকা দেওয়া সম্ভব? টাকা জমা দিলে তবেই নাকি নাগরিকত্ব সনদ মিলবে!’ সেবা নিতে আসা আরেক ভুক্তভোগী এটিকে সরাসরি 'জুলুম' বলে আখ্যায়িত করেন। জয়পুরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম বকুল বলেছেন, ‘জনগণের ওপর এভাবে অযৌক্তিক নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া চরম অন্যায়। এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে। জনস্বার্থে অবিলম্বে এই হয়রানি বন্ধ করা উচিত।’

জয়পুরহাট পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক খান বললেন, ‘পৌরসভার রাজস্ব আয় বাড়াতেই সভার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে আয় বৃদ্ধির জন্য যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার পৌরসভার রয়েছে।’উল্লেখ্য,বর্তমানে সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদেয় নিয়ে চলছে, পৌর পরিষদ।জনস্বার্থের কথা চিন্তা না করেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

জয়পুরহাট পৌরসভার প্রশাসক নুরুল ইসলাম বলেছেন, ‘প্রচলিত আইনে একটি সেবার শর্ত হিসেবে অন্য সেবা থেকে নাগরিককে বঞ্চিত করার কোনো সুযোগ আমার জানা নেই।’ জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক মো. আল-মামুন মিয়া বলেন, ‘পৌরসভার কোনো বকেয়া থাকলে আরেকটি সেবা দেওয়া যাবে না, এমন কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। তবে নাগরিকদের কোনো অভিযোগ এলে অবশ্যই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


প্রতিনিধি/ জেএ


সর্বশেষ সংবাদ 

৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ
আদালতে গোবিন্দের স্ত্রী, তবে কি ডিভোর্সের পথে
‘কালা হিরান’এর টিজার সরানোর নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট
টেকনাফে ইয়াবাসহ সিএনজি জব্দ
মাগুরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান, বৃক্ষ ও ফল মেলার উদ্বোধন

সর্বাধিক পঠিত 

চান্দিনা বাসস্ট্যান্ডে এআই ক্যামেরার সামনেই অবৈধ পার্কিং
মাদকবিরোধী সংবাদ প্রচারে অবদান রাখায় সম্মাননা পেলেন সাংবাদিক হাসান মামুন
রাণীনগরে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, দুই ডিলারকে জরিমানা
যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ আইন প্রণয়নের দাবি মহিলা পরিষদের
খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
সারাদেশ- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]