জামালপুরে চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড, সাতজনের যাবজ্জীবন

জামালপুর প্রতিনিধি

সারাদেশ

জামালপুরের আলোচিত চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে অতিরিক্ত

2026-08-20T15:00:53+06:00
2026-08-20T15:00:53+06:00
বৃহস্পতিবার ● ২৯ অক্টোবর ২০২৬,
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
 ইপেপার   আর্কাইভ   ভিডিও 
চলমান বার্তা:
সারাদেশ
জামালপুরে চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড, সাতজনের যাবজ্জীবন
জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০০ পিএম 
⏲
সংগৃহীত ছবি
জামালপুরের আলোচিত চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দিদারুল ইসলাম দিদার জানান, ২০১৬ সালে মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফুর রহমান আতা এবং বিদ্রোহী প্রার্থী ইছাহাকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইছাহাকের সমর্থক ও আদারভিটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করতে একই বছরের ১০ এপ্রিল গজারিয়া গ্রামে যায় পুলিশ।

তিনি বলেন, মোস্তফার বাড়ি চিনতে না পেরে পুলিশ রাস্তার পাশে থাকা প্রতিবেশী মহর আলী ও তার ভাতিজা স্বপন মিয়ার কাছে বাড়িটির অবস্থান জানতে চায়। তাদের দেখানো তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে প্রতিশোধ নিতে মহর আলী ও স্বপন মিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মোস্তফা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১৬ মে রাতে গান-বাজনার কথা বলে মহর আলী ও স্বপন মিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় মোস্তফার সমর্থক সাখাওয়াত ও সোহেল। পরে সাদ্দামের কথিত প্রেমিকাকে তুলে আনার কথা বলে তাদের জোড়খালী ইউনিয়নের কুকুরমারী এলাকার ভানু ফকিরের পাটখেতে নেওয়া হয়। সেখানে মোস্তফার লোকজন মহর আলী ও তার ভাতিজা স্বপন মিয়াকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং পরে জবাই করে হত্যা করে।

ঘটনার তিন দিন পর পাটখেত থেকে দুজনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মহর আলী গজারিয়া এলাকার আব্দুস সালাম দফদারের ছেলে এবং মির্জা আজম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। ভাতিজা স্বপন মিয়া একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং সানাইবান্দা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। সম্পর্কে তারা আপন চাচা-ভাতিজা।

এ ঘটনায় স্বপন মিয়ার বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ২২ জনকে আসামি করে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সাখাওয়াত, সোহেল, আল আমিন, সাদ্দাম, উজ্জল, অন্তর ও ফয়জুরকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া চাঁন মিয়া, মো. জিয়ার, শাহ আলম, কাওসার, রিফাত, সুমন ও মোস্তফাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

প্রতিনিধি/আরএইচ


সর্বশেষ সংবাদ 

গাইবান্ধায় মাকে মৃত দেখিয়ে এফিডেভিট, বাবার বিরুদ্ধে সন্তান বিক্রির অভিযোগ
গাইবান্ধায় ২৮ অক্টোবরের ঘটনার বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ
মাদারীপুরে তাইজুল হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে ঝাড়ু মিছিল
২০২৭ সালের নভেম্বরে শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মানিক পশারীর দাফনে বাধা: প্রতিবাদে পিরোজপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

সর্বাধিক পঠিত 

সিলেটের এলএ শাখায় জমি অধিগ্রহণে ১৫ শতাংশ ঘুষের অভিযোগ
জনবল সংকটে ধুঁকছে কক্সবাজার আইকনিক স্টেশন
সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার দাবি
সাধারণ উপকরণে জিয়াবাড়ির ক্ষুদ্র প্রতিরূপ তৈরি করলেন গাইবান্ধার যুবক
চাঁদা না দেওয়ায় আশুলিয়ায় সোয়েটার কারখানায় হামলা-লুটপাট
সারাদেশ- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]
Advertisement