ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা কমিটির নির্বাচন আগামী ৯০ দিনের মধ্যে আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিএনপি নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত প্রতিষ্ঠানটির এডহক কমিটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
রুলে সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিটে উল্লেখ করা হয়, ইসমাইল জবিউল্লাহ তৃতীয়বারের মতো ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
এ-সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এএফএম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনূস আলী আকন্দ।
আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী মো. ইউনূস আলী আকন্দ বলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে পরিচালনা কমিটির নির্বাচন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এর আগে জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনূস আলী আকন্দ গত ১৩ আগস্ট হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।
রিটে শিক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান ও কলেজ পরিদর্শক, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি এবং অধ্যক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজ বিন ইউসুফ।
রিটে বলা হয়েছে, বর্তমানে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি পরপর তিনবার এডহক কমিটির সভাপতি হয়েছেন।
রিটকারী আইনজীবী ইউনূস আলী আকন্দের দাবি, ২০২৪ সালের এডহক কমিটি-সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী, এডহক কমিটিকে ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন দিতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে না পারলে দ্বিতীয় দফায় আরও ছয় মাস সময় বাড়ানো যায়। তবে দ্বিতীয় দফায় একই ব্যক্তি সভাপতি হতে পারেন না।
রিটে দাবি করা হয়েছে, এসব বিধান লঙ্ঘন করে ইসমাইল জবিউল্লাহকে তৃতীয় দফায় এডহক কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।
দেশবার্তা/আরএইচ