পুলিশের কেউ কেউ এখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত হয়ে যোগাযোগ রাখছে, নানা ধরনের সংবাদ দিচ্ছে। এমন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ শনিবার সকাল ১১টায় রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬-এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পুলিশ কর্মকর্তাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনগণ আমাদের রাজা-বাদশাহ দেখতে চায় না, তারা জনবান্ধব পুলিশ দেখতে চায়। কোথাও গিয়ে আপনারা সিনিয়র অফিসাররা এমন কোনো কর্মকাণ্ড করবেন না, যেটা জনগণের চোখে অস্বাভাবিক বা অগণতান্ত্রিক লাগে এবং এমন কোনো আচরণ আপনারা প্রশ্রয় দেবেন না।
তিনি বলেন, আমাদের গণপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে, চব্বিশের আন্দোলনের যে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের ইচ্ছা সেটা পূরণ করতে হবে। প্রয়োজনে ব্যাপক হাতে শর্ট কোর্সের মাধ্যমে অফিসার ও বিভিন্ন পদে আমরা নিয়োগ দেব। প্রয়োজনে পুলিশের ক্ষমতা, সংখ্যা, ইকুইপমেন্ট, লজিস্টিক সবকিছু বাড়ানো হবে, বাড়িয়ে যাচ্ছি।
মন্ত্রী বলেন, আগামী সপ্তাহে একটা আলাদা সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন করা হবে। তার জন্য পুলিশ সদরদফতরে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির পোস্ট যদি ক্রিয়েটেড থাকে নাহলে আমরা ক্রিয়েট করব।
তিনি বলেন, সমস্ত মেট্রো, ডিভিশন ও ডিস্ট্রিক্ট পর্যায়ে তার শাখা থাকবে। থানা ও জেলা পর্যায়ে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটের আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকবে। বড় আকারের ফরেনসিক ল্যাব ও যে সাপোর্ট দরকার- সেগুলো হেডকোয়ার্টার ও ডিভিশন পর্যায়ে থাকবে।
তিনি আরো বলেন, প্রকল্প প্রণয়নের জন্য আমি গত কয়েক সপ্তাহ আগে নির্দেশ দিয়েছি। যেগুলো জটিল হবে সেগুলো কেন্দ্রে আসবে। যেগুলো থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে অ্যানালাইসিস করা সম্ভব সেগুলো সেখানেই হবে। আমরা দেখেছি, সাইবার স্পেস ক্রিয়েট করে যেসব ক্রাইম হচ্ছে সেটা আধুনিক ক্রাইম প্রবণতার একটা ক্যারেক্টার। কোনো কোনো রাষ্ট্রে ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত ক্রাইম হচ্ছে এই সাইবার বা স্ক্যাম ভিত্তিক। সেজন্য এটা আমাদেরকে গুরুত্ব দিতে হচ্ছে।
দেশবার্তা/এমআর