ঢাকাস্থ সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের (সিবিইউপি) আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘ওয়েছ-তোফায়েল-নজরুল’ পরিষদের প্যানেল পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাজধানীর মতিঝিলে একটি অভিজাত হোটেলে তিন শতাধিক ভোটারের উপস্থিতিতে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও নবনির্বাচিত সহ সভাপতি এবাদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সচিব ও সিবিইউপি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সাবেক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম মুন্না।
সভায় সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী কাজী তোফায়েল আহমদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল সিবিউপির ভবন ও সম্পদ আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে বারবার নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করেছে। আমরা সাধারণ সদস্যদের নিয়ে সেই অপচেষ্টা প্রতিহত করেছি।’
আগামী ২ অক্টোবরের নির্বাচন ঘিরে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অপরপক্ষের সভাপতি প্রার্থী রাগীব আলীকে এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও ভবনের একক দাতা হিসেবে দাবি করে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। অথচ সংগঠন প্রতিষ্ঠার ১১ বছর পর তিনি এর সঙ্গে যুক্ত হন। ভবনের সামান্য অংশ তিনি দিয়েছিলেন, বাকি সিংহভাগ অর্থ পরিশোধ করেছেন সংগঠনের দাতা, আজীবন ও সাধারণ সদস্যরা। রাগীব আলীকে নিয়ে মিথ সৃষ্টি করে ভোটারদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।’
সঠিক ইতিহাস জেনে যোগ্য প্রার্থীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের বলেন, ‘কোনো একক ব্যক্তির পক্ষে কোনো সংগঠন, অঞ্চল কিংবা দেশের উন্নয়ন এককভাবে করা সম্ভব নয়। কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ ও সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রয়োজন। আশা করি, এই প্যানেল বিজয়ী হলে সিলেট বিভাগের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।’
বিশেষ অতিথি জিয়াউল ইসলাম মুন্না বলেন, ‘এই প্যানেলের প্রার্থীরা কর্মক্ষম ও উদ্যোগী। সিলেট বিভাগের উন্নয়নে তাঁদের যেকোনো উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।’
সভায় অন্যান্যের মধ্যে সাইদুজ্জামান কামালী, আক্তারুজ্জামান তালুকদার, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবদুল মুনেম চৌধুরী, হাজী ফিরোজ মিয়া, আলতাফুর রহমান, নজরুল ইসলাম, মুখলেছুর রহমান, আলাউদ্দিন আল আজাদ, সিরাজুল ইসলাম বাচ্চু, রফিকুল ইসলাম রনি ও সোহান মিয়া বক্তব্য দেন।
বক্তারা আগামী নির্বাচনে ‘ওয়েছ-তোফায়েল-নজরুল’ পরিষদকে ‘আনারস’ মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
দেশবার্তা/একে