চাঁদা না দেওয়ায় রাজধানীর ইসিবি চত্বরে রাতের আঁধারে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার অভিযোগ উঠলেও পুলিশ বলছে ভিন্ন কথা। পাশের জমির মালিকের সঙ্গে বিরোধের জেরেই ঘটনার সূত্রপাত বলে দাবি প্রশাসনের। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে আটকের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
গতকাল শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরে তার স্টুডিওতে হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর ও মালামাল লুটের ঘটনা ঘটে। এর আগে স্টুডিও থেকে কে বা কারা চাঁদা চেয়েছে বলে শুনেছেন সালমান মুক্তাদির। যা তিনি নিজেই জানান। তার ভাষ্য, চাঁদা না দেওয়ার কারণেই এই হামলা হয়েছে।
হামলাকারীরা প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্টুডিওটির কর্মকর্তারা।
তবে পুলিশের দাবি, চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি। নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে।
এ দিকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে ও আজ রোববার সকালে তাদের আটক করা হয়। যদিও এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (এসি) নাজমুল আলম বলেন, নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। এখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও টার্গেট ছিল না।
দেশবার্তা/এমআর