রাজধানীর আদাবরে একটি বহুতল ভবনে হামলা ও মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টার পৃথক দুই ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো দুটি পৃথক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ডিএমপি জানায়, আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ের বাড়িতে হামলার ঘটনায় পাঁচজন এবং মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে জমি দখলের চেষ্টার ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী বাড়ির মালিক সূত্র জানায়, গত শনিবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ১৫ থেকে ২০ জনের একদল সশস্ত্র লোক রামদাসহ নানা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শ্যামলী হাউজিংয়ের ৬ নম্বর সড়কের ৪১ ও ৪২ নম্বর প্লটের বহুতল ভবনে হামলা চালায়। এর আগে প্রায় দেড় বছর ধরে ভবনটি এ চক্রটির দখলে ছিল। গত মার্চে পুলিশ তাদের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে ভবনের দখল মূল মালিককে বুঝিয়ে দেয়।
ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ভবনের ভেতরের বাসিন্দারা গেট খুলতে না চাইলে মুখোশধারীরা রামদা ও ইট দিয়ে মূল ফটক ও জানালায় ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক খুরশিদ আলম খানসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং ১৫ থেকে ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে আদাবর থানায় মামলা করেছেন।
অন্যদিকে, একই দিন সকাল ১০টার দিকে মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে শত শত লোক একটি প্লটে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। তারা নগদ টাকা ও যন্ত্রপাতি লুট করে পুরো জায়গাটি টিন দিয়ে ঘিরে ফেলে।
পুলিশ ও জমি নিয়ে বিরোধে যুক্ত পক্ষগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভূমির মালিকানা নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবির জেরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ প্রাথমিকভাবে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে জড়িত আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দেশবার্তা/একে