সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তের ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে গুলিতে খালেদ আহমদ নামের এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভারতের আকুয়া সীমান্ত এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। শুক্রবার স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।
নিহত খালেদ আহমদ কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের এরালীগুল গ্রামের মৃত ফজলু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ১০ জনের একটি দলের সঙ্গে দনা সীমান্তের ১৩৩৩ নম্বর প্রধান সীমান্ত পিলারসংলগ্ন মিকিরপাড়া এলাকা দিয়ে ভারতের আকুয়া এলাকায় যান খালেদ। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ সময় দলের অন্য সদস্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
আহত ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিন জানান, ভারতের অভ্যন্তরে গুলিবিদ্ধ হয়ে খালেদের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার স্থানীয় বাসিন্দারা ভারতীয়দের সহায়তায় তাঁর মরদেহ দেশে নিয়ে আসেন।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। নিহত ব্যক্তি মাঝেমধ্যে ভারতে যেতেন বলে শুনেছেন তিনি। তবে কে বা কারা তাঁকে গুলি করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বিজিবিও কোনো তথ্য জানায়নি। স্বজনেরা জানিয়েছেন, ভারতের অভ্যন্তরে গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১০ অক্টোবর কানাইঘাট উপজেলার সোনারখেওড় সীমান্তের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শাহিন আহমদ নামের আরেক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে সীমান্তে দ্বিতীয় যুবকের গুলিতে মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
প্রতিনিধি/আরএইচ