দেশের প্রথম নিবন্ধিত শেফ ফাউন্ডেশন হিসেবে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ কুলিনারী ফাউন্ডেশন। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওতে কমিটির পরিচিতি অভিষেক ও আসন্ন ২০ অক্টোবর- ২০২৬ শেফ ডে উদযাপন সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে ফাউন্ডেশনটি। এতে তারা আন্তর্জাতিক রন্ধন শিল্পের সংগঠন ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটি (ওয়ার্ল্ডশেফস) এর ন্যাশনাল মেম্বারশিপ প্রাপ্তি সংক্রান্ত ঘোষণাও পেশ করে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কুলিনারী ফাউন্ডেশন তথা বি সি এফ প্রতিনিধিরা জানান, ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ দেশের রন্ধন শিল্পের বিকাশে অসামান্য ভূমিকা রাখবে। এ সদস্যপদের বদৌলতে দেশের শেফরা আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের রন্ধন শিল্পীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশের শেফ ও রন্ধন শিল্পের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ ও ভীনদেশী পেশাগত নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ অবারিত হবে। আর দেশের অভ্যন্তরে কুলিনারী শিক্ষার বিস্তার তো থাকবেই।
প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা শেফ নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শেফ শহীদ শাহীন, সাধারণ সম্পাদক শেফ আলমগীর চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শেফ পারভেজ মোশারফ এবং অর্থ সম্পাদক শেফ বায়েজিদ চৌধুরী সহ অন্যান্য সব সদস্যবৃন্দ এবং উপদেষ্টা মন্ডলী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে আরও ৫/৬ টি শেফস ফেডারেশন বা সমিতি কার্যক্রম চালালেও কার্যত তাদের আইনগত স্বীকৃত নিবন্ধন নেই। এক্ষেত্রে বি সি এফ ব্যতিক্রম, কেননা তারা নিজস্ব কার্যক্রম বড় পরিসরে চালানোর প্রারম্ভেই দেশের প্রচলিত আইনে নিবন্ধিত হয়েছে। এবং সমস্ত সদস্য সুশিক্ষিত, প্রশিক্ষিত।
মূলত, একগুচ্ছ মহতী উদ্দেশ্য নিয়ে বাংলাদেশ কুলিনারী ফাউন্ডেশন যাত্রা করল, যার মধ্যে প্রণিধানযোগ্য- দেশের রন্ধন শিল্পের অগ্রগতি এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়া, শেফদের কল্যাণ ও অধিকার সুরক্ষা দেওয়া এবং নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরিতে কার্যকর অবদান রাখা।
দেশবার্তা/জেএ