| চলমান বার্তা: |

প্যারিসের প্লেস দে লা রিপাবলিক ও লেস হ্যালস শপিং এলাকা ছাড়াও মার্সেই, বোর্দো, নিস, লিওঁ এবং উত্তরের শহর লিলে তরুণদের চলাচল ও গণজমায়েতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
এর আগে ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ স্বীকার করেন, কয়েকটি শহরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হয়েছিল পুলিশ। সহিংসতা মোকাবিলায় সমন্বয়ের ঘাটতি নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে গত সোমবার পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। তবে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি।
কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, সহিংসতা শুরুর পর থেকে আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের ছোড়া গ্রেনেডে এক বিক্ষোভকারীর হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
গত মাসে উন্নত স্কুল-পরিবেশের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ আন্দোলনের সূচনা হয়। পরে জীবনযাত্রার সামগ্রিক সংকটকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষ ও ট্রেড ইউনিয়নের অংশগ্রহণে তা গণবিক্ষোভে রূপ নেয়।
দেশবার্তা/এমআর
