মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত সেপ্টেম্বর মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা দেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান।
ডিজিটাল মাধ্যমে দেশের সব মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারগণ যুক্ত থাকা এই সভায় তিনি বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।
মাঠ পর্যায় পর্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি পুলিশ সদস্যদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে জনগণের সঙ্গে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় ডাকাতি মামলার ঘটনা দ্রুত উদ্ঘাটন ও দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ধর্ষণ মামলার সাজ নিশ্চিত করতে বিশেষ নজর দিয়ে তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারকির তাগিদ দেন অতিরিক্ত আইজি। একই সঙ্গে সার্বিকভাবে বিচারাধীন অন্যান্য মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
জনবান্ধব সেবা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, সমাজে ইতিবাচক ভাবমূর্তির ব্যক্তিদের যুক্ত করে একটি কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিউনিটি এবং বিট পুলিশিং কার্যক্রম সচল করতে হবে।
সম্প্রতি শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় আইজিপির পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ের সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
সভায় সেপ্টেম্বর মাসের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতির পাশাপাশি ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, পুলিশ আক্রান্তের ঘটনা এবং মুলতবি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রান্তে ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় সরাসরি উপস্থিত ছিলেন।
দেশবার্তা/একে