নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশে আধুনিক নৌযান নির্মাণ ও সামুদ্রিক খাতের উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান জুলং গ্রুপ। আধুনিক নৌযান ও জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি দেশে উৎপাদিত নৌযান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানির পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের সঙ্গে তার দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জুলং গ্রুপের চেয়ারম্যান বেন ওয়াং। এ সময় বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ ও সামুদ্রিক খাতের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশে আধুনিক নৌযান নির্মাণ ও সামুদ্রিক খাতের উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
বৈঠকে জুলং গ্রুপের চেয়ারম্যান বেন ওয়াং বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের অত্যাধুনিক নৌযান ও জাহাজ নির্মাণ করতে চায় তার প্রতিষ্ঠান।
জুলং গ্রুপের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশে উৎপাদিত আন্তর্জাতিক মানের নৌযান দিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হবে।
চীনের এ বিনিয়োগ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। তিনি বলেন, বিদেশী বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করেছে। জাহাজ নির্মাণ শিল্পে চীনের বিনিয়োগের সিদ্ধান্তও সময়োপযোগী।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ নির্মাণ এবং সেগুলো বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত, প্রশাসনিকসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ যৌথ উদ্যোগ সফল হলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সুযোগ তৈরি হবে, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশবার্তা/এমআর