সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতু পশ্চিম গোলচত্বর এলাকায় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনসহ আন্তজেলা চোরচক্রের আট সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম গোলচত্বর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে শ্যামলী পরিবহনের বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রাম জেলার বায়েজিদ বোস্তামী থানার সৈয়দপাড়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আলামিন (৩০), পাঠানপাড়া গ্রামের মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে ইসরাফিল রহমান (২৭), একই জেলার বাকলিয়া থানার সিএমপি বাকলিয়া গ্রামের মৃত হবু মিয়ার ছেলে আক্কাস আলী (৩৫), পটিয়া থানার ইসমাইল ফয়েজ রোডের মৃত ইব্রাহিমের ছেলে মো. রিদয় (৩৪), নরসিংদীর রায়পুর থানার চর মদিনানগর গ্রামের মৃত হারুন মিয়ার ছেলে মো. ইমরান (৩০), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার চকবাস মোল্লাবাড়ী গ্রামের মৃত শামসুল আলমের ছেলে ইয়াসিন আরাফাত (৩৮), কুমিল্লার চান্দিনা থানার নওয়াতপুর গ্রামের মৃত খালেকের ছেলে মো. রবিউল (৩৩) এবং একই জেলার মুরাদনগর থানার কামাল্লা গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে আলাউদ্দিন (২৫)।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিরুল ইসলাম জানান, বুধবার সকাল ৮টার দিকে সংঘবদ্ধ চোরের একটি দল বগুড়ার ধুনটের মাসুদ টেলিকম নামের একটি মোবাইলের দোকানের শাটার কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা দোকান থেকে ৯৪টি মোবাইল ফোন চুরি করে শ্যামলী পরিবহনে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধুনট থানা পুলিশ, সিরাজগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও যমুনা সেতু পশ্চিম থানা পুলিশের সমন্বিত দল সকাল ১১টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম গোলচত্বর এলাকায় চেকপোস্ট বসায়। পরে শ্যামলী পরিবহনে অভিযান চালিয়ে আটজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
ওসি জানান, উদ্ধার করা মোবাইল ফোন ও আটক ব্যক্তিরা বর্তমানে যমুনা সেতু পশ্চিম থানা হেফাজতে রয়েছেন। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ধুনট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ধুনট থানায় হস্তান্তর করা হবে।
প্রতিনিধি/আরএইচ