বাজারে ৮০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি

দেশবার্তা প্রতিবেদক

অর্থ-বাণিজ্য

রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দাম এখন বেশ চড়া। সবজি, ডিম ও মুরগিসহ প্রায় সব ধরনের ভোগ্যপণ্যই বিক্রি হচ্ছে বাড়তি

2026-10-07T16:06:01+06:00
2026-10-07T16:06:01+06:00
বৃহস্পতিবার ● ৮ অক্টোবর ২০২৬,
২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
 ইপেপার   আর্কাইভ   ভিডিও 
চলমান বার্তা:
অর্থ-বাণিজ্য
বাজারে ৮০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি
দেশবার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম 
⏲
সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দাম এখন বেশ চড়া। সবজি, ডিম ও মুরগিসহ প্রায় সব ধরনের ভোগ্যপণ্যই বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। বাজারে এখন ৮০ টাকার নিচে সবজি পাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ফলে দৈনন্দিন কেনাকাটা করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ ও সীমিত আয়ের মানুষ। 

বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি টমেটো ১২০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা, লতি ৮০ টাকা, পটল, চিচিঙ্গা ও ঝিঙে ৮০ টাকা, শিম ২০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা এবং গোল বেগুন ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে। বাজারের সর্বনিম্ন দামের সবজি পেঁপে, যা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজিতে।

সবজির সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সবজি বিক্রেতা সন্তু মজুমদার বলেন, পরিবহন, জ্বালানি তেলসহ সব কিছুর খরচ বেশি। এর প্রভাব পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজারে। আমরা চাইলেও কম দামে কিছু বিক্রি করতে পারি না। আমরাও চাই সবজির দামসহ সব পণ্যের দাম কমে যাক।

বাজার করতে আসা রফিক শেখ নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সারাদিন যা আয় করি তা দিয়ে বাজার করতে গেলেই সব শেষ হয়ে যায়। বাকি আরও কত কিছু কিনতে হয়। সব মিলিয়ে পারছি না আর, মাঝমধ্যে না খেয়ে থাকতে ইচ্ছে করে, কিন্তু না খেয়েও থাকতে পারি না।

এদিকে আমিষের বাজারেও অস্বস্তি কাটেনি। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, কক মুরগি ৩১০ থেকে ৩৩০ টাকা, গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারে ডজনপ্রতি বেড়েছে ১০ টাকা। বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম ১৬০ টাকা, সাদা ডিম ১৫০ টাকা এবং হাঁসের ডিম ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চার পিস বা এক হালি ডিম কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৫৫ টাকা।

মাছের বাজারে গিয়েও স্বস্তির খবর পাওয়া যায়নি। আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। এছাড়া পাবদা ৬০০ টাকা, কই ৩৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা এবং পাঙ্গাস ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে প্রতি কেজি চিংড়ির জন্য গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা।

মাছ বিক্রেতা হাবিব হাসান বলেন, মাছের দাম আগের মতোই আছে। দাম সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। এখন এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। আবার মাছ বেশি আসলে দাম কমে যায়, ক্রেতা বেশি আসলেও দাম বেড়ে যায়।

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

রোনালদোর বক্তব্য পড়ার পর যা বললেন পর্তুগাল কোচ
ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার
সালমান মুক্তাদিরকে ঘিরে নানা প্রশ্ন, তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের তাগিদ
৫ শর্ত পূরণ না হলে মিয়ানমারে ফিরতে চায় না ৮৭ শতাংশ রোহিঙ্গা
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ: চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রার ৬৯ শতাংশ অর্জিত

সর্বাধিক পঠিত 

শাহ আমানত বিমানবন্দর এলাকায় চলছে মাটিলুটের মহোৎসব
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জে এলজিইডির পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সাটুরিয়ায় গ্যাসের গোপন মজুত, ১২৫ সিলিন্ডার জব্দ: জরিমানা ৯০ হাজার
জয়পুরহাট সীমান্তে তিনজনকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা
ঢাকায় যুবককে হত্যা, ডিমলায় বাড়ির পাশে মাটিচাপা
অর্থ-বাণিজ্য- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]
Advertisement