নীলফামারীর ডিমলায় রাকিব ইসলাম (১৭) নামে এক যুবককে ঢাকায় হত্যার পর তার মরদেহ নিজ বাড়ির পাশে মাটিচাপা দিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে মামুন (১৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাকিবকে জীবিত দেখিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করে তার পরিবারের কাছে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার একটি তদন্তকারী দল নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মামুনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাটিচাপা দেওয়া স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার উদ্দামপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় ও তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মেয়েঘটিত একটি বিরোধের জেরে রাকিবকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর অভিযুক্ত মামুন মরদেহটি তার নিজ বাড়ির পাশে নিয়ে এসে মাটিচাপা দিয়ে রাখেন বলে অভিযোগ।
এরপর রাকিবকে জীবিত দেখিয়ে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ভিডিও তৈরি করা হয়। সেই ভিডিও পরিবারের সদস্যদের দেখিয়ে রাকিবকে আটকে রাখা হয়েছে—এমন ধারণা সৃষ্টি করে তার পরিবারের কাছে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ।
পরে বিষয়টি তদন্তে বেরিয়ে এলে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ডিমলার বালাপাড়া গ্রামের বাড়ির পাশ থেকে মাটিচাপা অবস্থায় রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দেশবার্তা/জেএ