রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ ও সার্বিক নগর পরিস্থিতি সরাসরি দেখতে হঠাৎ পরিদর্শনে বের হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিদর্শনকালে তিনি নিজেই গাড়ি চালান। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে নগর ব্যবস্থাপনার একাধিক বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে বের হন প্রধানমন্ত্রী। পরিদর্শনের আগে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং ডিএনসিসির প্রশাসককে তাঁর বাসভবনে ডেকে নেন এবং তাঁদের সঙ্গেই পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর একটি বড় অংশ ঘুরে দেখেন। তাঁর পরিদর্শনের রুটে ছিল- ইসিবি চত্বর, মিরপুর ডিওএইচএস, দিয়াবাড়ি, উত্তরা (সেক্টর ৩, ৪, ৫ ও ৬), এয়ারপোর্ট রোড, কাকলী মোড়, মহাখালী, ফার্মগেট, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, সলিমুল্লাহ রোড, ইকবাল রোড, তাজমহল রোড, জাপান গার্ডেন সিটি, শ্যামলী মোড়, গণভবন মোড়, জিয়া উদ্যান, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মিরপুর-১০, কচুক্ষেত, ক্যান্টনমেন্ট, সৈনিক ক্লাব ও বনানী। পরিদর্শন শেষে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরে আসেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে উত্তর সিটির পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়ন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক নগর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন তারেক রহমান। সরেজমিনে বেশ কিছু নাগরিক দুর্ভোগ ও অব্যবস্থাপনা চিহ্নিত করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মেহেদুল ইসলাম এবং সহকারী একান্ত সচিব আব্দুর রহমান সানী।
দেশবার্তা/একে