৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরাতে কেন দেরি, জানাল মিয়ানমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশ্ব

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার ঘোষণা দিলেও এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হতে

2026-08-17T18:02:19+06:00
2026-08-17T18:02:19+06:00
সোমবার ● ১৭ আগস্ট ২০২৬,
২ ভাদ্র ১৪৩৩
 ইপেপার   ভিডিও 

সোমবার ● ১৭ আগস্ট ২০২৬
চলমান বার্তা:
বিশ্ব
৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরাতে কেন দেরি, জানাল মিয়ানমার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০২ পিএম 
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার ঘোষণা দিলেও এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হতে বিলম্ব হতে পারে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার। গতকাল এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিলম্বের কারণ হিসেবে রাখাইন রাজ্যের চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিকে দায়ী করেছে। রাখাইনের পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর এই প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইনে বেশ কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) একযোগে হামলা চালায়। এরপরই রাখাইনের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভয়াবহ অভিযানে নামে দেশটির সেনাবাহিনী। জীবন বাঁচাতে সে সময় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে তারা কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার বিভিন্ন শরণার্থীশিবিরে বসবাস করছে।

বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে ঢাকার পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমারের কাছে নামের তালিকা পাঠানো হয়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত মোট ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার তালিকা ঢাকা থেকে নেইপিদোতে পাঠানো হয়েছে।

পাঠানো তালিকার মধ্যে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করেছে। এর ভিত্তিতে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত বা নিশ্চিত করা হয়েছে।

২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে রাখাইনে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর তীব্র সংঘাত শুরু হয়। বর্তমানে প্রাদেশিক রাজধানী সিতওয়ে এবং নির্দিষ্ট কিছু এলাকা ছাড়া পুরো রাখাইন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে আরাকান আর্মির হাতে। রাখাইনকে একটি স্বায়ত্তশাসিত রাজ্যে পরিণত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

বিবৃতিতে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের পুরো বিষয়টি কঠোরভাবে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার একটি দ্বিপক্ষীয় বিষয়।

এর আগে ২০১৮ ও ২০১৯ সালেও রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিল বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়। তবে সে সময় কোনো রোহিঙ্গা নিজ দেশে ফিরে যায়নি।

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক স্থাপনে কাজ করছে ইউজিসি: সদস্য ড. মামুন
উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি
হবিগঞ্জে বৈছাআ-এর সদস্য সচিবসহ তিনজন আটক
নারায়ণগঞ্জ সদরে শুরু হয়েছে ২০ দিনব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ
পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর, দুই ধাপে হবে বাস্তবায়ন

সর্বাধিক পঠিত 

রংপুরে ৪৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ
সিলেটে এসআই ইয়াকুবের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা ঘুস গ্রহণের অভিযোগ
অদৃশ্য ফাঁদে বিশ্ব, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
জলঢাকার মুদি পাড়ায় শতবর্ষী কালী মন্দিরে ভাঙচুরের অভিযোগ
নাজিরপুরে ব্যবসায়ীকে রাতভর আটকে রেখে নির্যাতন, সকালে মৃত্যু
বিশ্ব- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]