রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটিতে হামলা চালিয়ে লুটপাটের পর সেটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়লো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর।’
পোস্টে তিনি দাবি করেন, মধ্যরাতে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। লুটপাটের পর স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে রাতের আঁধারে সেখানে রহস্যজনক একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ঘটনার পর প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জামায়াত আমির বলেন, ‘কোথায় প্রশাসন, কোথায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী?’
তিনি আরও বলেন, ‘এর পেছনে কারা রয়েছে, তা আর মোটেই অস্পষ্ট নয়। তাদের পেটের ক্ষুধা কোনোভাবেই নিবারণ হচ্ছে না। তারাই জনগণের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার এই সুযোগটিকে নিশ্চিহ্ন করে দিলো।’
সরকারের স্বাস্থ্যসেবা–সংক্রান্ত অঙ্গীকারের সঙ্গে এমন ঘটনার বৈপরীত্য তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সরকার একদিকে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে। অন্যদিকে চলছে এই খেলা। আর কত দিন এ ধরনের খেলা চলবে?’
তিনি ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। তাঁর ভাষায়, ‘দুষ্কৃতিকারীদের অবশ্যই খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে একসময় জনগণের হাতেই তাদের শাস্তি পেতে হবে।’
দেশবার্তা/এমআর