রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকার দক্ষিণ মানিকদীতে অবস্থিত নিউ গিনি প্রোপার্টিজ নামের আবাসিক প্রকল্প। এর এক পাশে কয়েকটি বহুতল ভবন, অন্য পাশে নির্মাণাধীন স্থাপনা। সেখানে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের একটি স্টুডিও আছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে এই স্টুডিওতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। হামলার পর এখন স্থাপনাটি একরকম ছন্নছাড়া হয়ে আছে। ভাঙা দরজা, ছিন্নভিন্ন তার, ভাঙা সিসিটিভি, মেঝেজুড়ে কাচের টুকরা, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আসবাব ও কনটেন্ট তৈরির সরঞ্জাম- সবকিছুতেই তাণ্ডবের চিহ্ন।
প্রশ্ন উঠেছে, হঠাৎ কেন এমন হামলা হলো সেখানে? এর নেপথ্যে কী আছে?
প্রকল্পটির মালিকপক্ষ বলছে, চাঁদা দাবি ও জমি দখলের উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ একটি চক্র এ হামলা চালিয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আবাসিক এলাকাটিতে গিয়ে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, প্রধান সড়ক থেকে আনুমানিক ২০০ গজ ভেতরে নিউ গিনি প্রোপার্টিজের প্রধান ফটক। লোহার তৈরি বড় গেটটির বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন। কোথাও ধাতব অংশ বাঁকা, কোথাও ধারালো অস্ত্রের আঘাতের দাগ। স্থানীয়দের দাবি, ধারালো অস্ত্র দিয়ে ফটকে হামলা চালিয়ে সেটি ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হামলাকারীরা। হামলাকারীর সংখ্যা কত ছিল তা নিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে ভিন্নতা আছে। তবে সবাই বলেছেন ৪-৫টি পিকআপে করে হামলাকারীরা এসেছে। সেখান থেকে অনুমান করা যায় হামলায় ৬০-৭০ জন অংশ নিয়েছে।
ফটক পেরিয়ে প্রকল্পের ভেতরে ঢুকতেই গেটসংলগ্ন একটি ১০তলা ভবন। সেটিতে ভাঙচুরের চিহ্ন আছে। আবাসিক এলাকার সংশ্লিষ্টরা জানান, ভবনটির একটি ফ্ল্যাটে চিকিৎসক এক দম্পতি বসবাস করতেন। হামলাকারীরা তাদের মারধর করে মালামাল লুট করে নেয় এবং এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়। বর্তমানে ওই দম্পতি একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সেখান থেকে আরও কিছুটা এগোলে বিশাল টিনশেডের ভেতরে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও। বাইরে থেকেই বোঝা যায়, কীভাবে হামলা চালানো হয়েছে। স্টুডিওতে প্রবেশের কয়েকটি গেট ভাঙা এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর চিহ্ন রয়েছে। সেখানে পড়ে থাকতে দেখা যায় গুলির খোসা।
স্টুডিওর ভেতরে ঢুকলে ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র আরও স্পষ্ট হয়। দামি আসবাবপত্র থেকে শুরু করে কনটেন্ট তৈরির সব সরঞ্জাম ভেঙে ফেলা হয়েছে। কোথাও কাঠের অংশ ছড়িয়ে আছে, কোথাও ভাঙা কাচ। মেঝেতে পড়ে আছে বিভিন্ন সরঞ্জামের ছোট ছোট ভাঙা অংশ। একটি কক্ষের আসবাব ও ড্রয়ারগুলো তছনছ করা। কোথাও সিসিটিভির তার কেটে ফেলা হয়েছে। স্টুডিওর এমন কোনো অংশ নেই যেখানে হামলার চিহ্ন নেই।
ভয়ে ওয়াশ রুমে আশ্রয় নেন স্টুডিওর কর্মীরা
মধ্যরাতের এই হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও। স্টুডিওটির প্রতিনিধি ইলার ভাষ্য, হামলার সময় সেখানে দুজন কর্মী ছিলেন। শুরুতে তারা পাশের নির্মাণকাজের শব্দ মনে করে বিষয়টিতে গুরুত্ব দেননি। পরে হামলা হয়েছে বুঝতে পেরে ওয়াশরুমে আশ্রয় নেন।
ইলা বলেন, পাশের নির্মাণকাজ থেকে শব্দ আসছে মনে করে কর্মীরা প্রথমে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছিলেন। পরে দুর্বৃত্তদের প্রবেশের বিষয়টি টের পেয়ে তারা ওয়াশরুমে গিয়ে আশ্রয় নেন এবং সেখান থেকে আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। পরে আবার ফোন করা হলে তাদের আর পাওয়া যায়নি। ততক্ষণে দুর্বৃত্তরা তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে নিয়েছিল।
তার দাবি, স্টুডিওতে ঢুকে দুর্বৃত্তরা শুধু ভাঙচুর করেনি, মূল্যবান কনটেন্ট তৈরির সরঞ্জামও নিয়ে গেছে। ফলে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বড়।
ইলা বলেন, স্টুডিও থেকে একটি ক্যামেরা, তিনটি লেন্স, চারটি লাইট, চারটি সফটবক্স এবং সিসিটিভির সরঞ্জামসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট হয়েছে। আমাদের পুরো স্টুডিওই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুনর্ব্যবহার বা চালু করার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই।
হামলার পেছনে সরাসরি কোনো চাঁদা চাওয়ার ঘটনা ছিল কি না জানতে চাইলে ইলা বলেন, চাাঁদা দাবি বা ব্যক্তিগত শত্রুতার তথ্য তার জানা নেই। তার ধারণা, স্টুডিওটি মূলত বড় প্রকল্পের ভেতরে থাকায় হামলার শিকার হয়েছে।
‘ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কোনো চাঁদার বিষয় কিংবা শত্রুতার কারণে এই হামলা হয়েছে কি না, তা আমরা জানি না। আমরা মূলত পরিস্থিতির শিকার হয়েছি। পুরো প্রজেক্ট বা এর মালিকের সঙ্গে কোনো ঝামেলার কারণে আমাদের স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছি।’
প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমিকরা যা বলছেন
হামলার সময় প্রকল্পের ভেতরে থাকা নির্মাণ শ্রমিক নয়ন বলেন, হামলাকারীদের একটি দল রাত ১১টার দিকে সেখানে প্রবেশ করে। তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র ছিল। ভয়ে শ্রমিকরা এখানে সেখানে লুকিয়ে পড়েন।
নয়ন বলেন, আমরা এখানে কাজ করি, এখানেই থাকি। প্রতিদিনের মতো গতকাল রাতে আমরা কাজ শেষ করে শোয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এর মধ্যে ১৫-২০ জনের একটি দল আমাদের এখানে এসে কয়েকজনকে মারধর করে। তাদের হাতে পিস্তল, রামদা, লাঠি, চাপাতি ছিল। তারা অনেকগুলো গুলিও করে। তখন আমরা ভয়ে লুকিয়ে ছিলাম।
হামলাকারীরা শুধু প্রকল্পের স্থাপনায় ভাঙচুর করেছে এমন নয়, শ্রমিকদের থাকার জায়গায়ও হামলা করেছে এবং তাদের জমানো টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নয়ন বলেন, আমরা এখানে ৫০ জনের মতো ছিলাম। প্রত্যেকের কাছে টাকা ছিল। তারা রুমে এসে আমাদের সবাইকে বের করে দেয়। কয়েকজনকে মারধরও করে। পরে আমরা ভয়ে বের হয়ে গেলে ভেতরে আমাদের টাকা পয়সা যা ছিল সব নিয়ে চলে যায়। রুমে ঢুকে আমাদের ব্যাগগুলো ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় পাই। আমাদের অন্তত ৫০ জন শ্রমিকের জমানো টাকা ও ১৬টি মোবাইল নিয়ে গেছে।
হামলার সময় প্রকল্পের ম্যানেজার জামাল উদ্দিন তার অফিসে ছিলেন না। থাকলে বিপদ হতে পারত বলে মনে করছেন তিনি।
জামাল উদ্দিন বলেন, এখানে মোট ১২টি ভবন আছে। এর মধ্যে পাঁচটি হচ্ছে নিউ গিনি প্রকল্পের। বাকিগুলো অন্যদের। আমি এশার নামাজের জামাত শেষ করে গিয়ে শুয়েছি। না হলে অফিসে থাকলে তো মেরেই ফেলত, এতক্ষণে আমি লাশ হয়ে যেতাম। আমার ৪০ বছরে যা জমিয়েছি সব শেষ করে দিয়েছে। সামনের মাসে নতুন বাসায় উঠব, তাই কিছু মালামাল কিনে এখানে রেখেছিলাম। সব ধ্বংস করে দিয়েছে।
প্রকল্পটির মালিকপক্ষের কাছে আগে কোনো চাঁদা দাবি করা হয়েছিল কি না- এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিতে চাননি জামাল উদ্দিন। তিনি জানান, কর্মচারীদের সামনে সাধারণত মালিকপক্ষ এ ধরনের বিষয় আলোচনা করে না।
অন্যদিকে প্রকল্পটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টিও হামলার পর নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পে পাঁচটি গেট রয়েছে এবং রাতে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন পাঁচজন। হামলাকারীরা নিরাপত্তাকর্মীদেরও মারধর করেছে।
প্রকল্পের নিরাপত্তাকর্মী আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের পাঁচটি গেট রয়েছে। রাতে পাঁচজন ডিউটিতে ছিল। তাদের কয়েকজনকে মারধর করেছে। তারা হাসপাতালে আছে।
হামলার সময় গুলির শব্দ শোনার কথাও জানান তিনি। তার দাবি, শুধু একটি বা দুটি গুলি নয়, অনেকগুলো গুলি করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রকল্পের বিভিন্ন ভবনে থাকা লোকজনের টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে।
মাস্ক পরা যুবকেরা ঢুকেছে: স্থানীয় দোকানি
স্থানীয় একজন দোকানির বর্ণনায় হামলাকারীদের প্রবেশের ধরন নিয়ে একটি চিত্র পাওয়া যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই দোকানি বলেন, রাত সাড়ে ১০টার পর দোকান বন্ধ করার সময় তিনি কয়েকজনকে দলবদ্ধভাবে প্রকল্পের দিকে যেতে দেখেন। তাদের মুখে মাস্ক ছিল।
ওই দোকানি বলেন, রাত সাড়ে ১০টার পর দোকান বন্ধ করছিলাম, তখন দেখলাম দুই-তিন জন করে ভাগে ভাগে এদিক দিয়ে প্রকল্পের মধ্যে যাচ্ছে। তাদের প্রত্যেকের মুখে মাস্ক ছিল। ভাব খারাপ দেখে আমি চলে যাই।
তার দাবি, এই প্রকল্পে এর আগেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন ৫ আগস্ট রাতেও এমন ঘটনা ঘটেছিল বলে জানান তিনি। তবে এবারের মতো বড় আকারের হামলা ছিল না।
হামলাকারীরা আসে ৪-৫টি পিকআপে
প্রকল্পের প্রশাসনিক বিভাগে কর্মরত মো. পল্লবের দাবি, হামলাকারীরা একসঙ্গে নয়, কয়েকটি পিকআপে করে প্রকল্পে ঢোকে। সামনে যা পেয়েছে তাই নিয়ে গেছে; যা নিতে পারেনি, সেগুলো ভাঙচুর করেছে।
পল্লব বলেন, তারা ৪-৫টি পিকআপ নিয়ে এখানে প্রবেশ করে। এরপর যেগুলো সামনে পায় সব লুটপাট করে। যেগুলো নিতে পারেনি সেগুলো ভাঙচুর করে। আমাদের স্টাফ যারা ছিল তাদেরকে মারধর করে জামাকাপড়, মোবাইল, টাকা পয়সা সব নিয়ে চলে যায়।
চাঁদা দাবির বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, এমন কোনো বিষয় থেকে থাকলেও তা ব্যবস্থাপনা কমিটির পর্যায়ে থাকতে পারে।
চাঁদা দাবি করা হয়েছে, অভিযোগ প্রকল্প মালিকের
হামলাকারীদের লক্ষ্য কি শুধু সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ছিল, নাকি পুরো প্রকল্পটিই ছিল তাদের টার্গেট, তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।
এ বিষয়ে নিউ গিনি প্রোপার্টিজের মালিক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ঘটনাটি নিছক কোনো আকস্মিক হামলা নয়। চাঁদা দাবি এবং জমি দখলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। এর পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে। এটি একটি নির্মম ঘটনা এবং এমন পরিস্থিতিতে দেশে কীভাবে বসবাস করব তা আমি বুঝে উঠতে পারছি না।
চাঁদা দাবির অভিযোগটি আরও স্পষ্ট করে তিনি বলেন, চক্রটি বিভিন্ন কৌশলে একেক সময় একেক পরিমাণের টাকা দাবি করেছে। গত এক মাসে আমার কাছে চক্রটি কখনো ১ কোটি, কখনো ৫০ লাখ, আবার কখনো ২ কোটি টাকা পর্যন্ত চাঁদা চায়। আমি তাদের চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এর সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা জড়িত রয়েছে।
চাঁদাবাজির পাশাপাশি জমি দখলের অভিযোগও সামনে এনেছেন নিউ গিনি প্রোপার্টিজের মালিক। তার দাবি, সাবেক এক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা জমি-সংক্রান্ত এই বিরোধের সঙ্গে জড়িত। ওই কর্মকর্তার কাছ থেকে তিনি এখানকার ১০ কাঠা জমি কিনেছেন এবং সেটি রেজিস্ট্রিও হয়েছে। কিন্তু পাশের আরেকটি জায়গা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, মূল সমস্যা প্রকল্পের এই জায়গা নিয়ে নয়। সমস্যা হচ্ছে, এই ১০ কাঠার পাশে আরেকটি জায়গা আছে, যা তিনি আমাকে দিয়ে ডেভেলপ (মাটি ভরাট) করিয়েছেন। আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন, কিন্তু রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেন না।
তিনি আরও বলেন, সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হওয়ায় তিনি আমার অর্থে ডেভেলপ করা জায়গাটি প্রভাব খাটিয়ে দখল করে নিয়েছেন। আমি জায়গা ফেরত চাওয়ায় সংঘবদ্ধ চক্র দিয়ে আমার মুখ বন্ধ করার জন্যই এই হামলা করিয়েছেন।
যা বলছে পুলিশ
রোববার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো.মাহিদুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে মনে হয়েছে, জমিকে কেন্দ্র করে বা জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ থাকতে পারে। এটা নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত বলতে পারব।
এর আগে সকালে গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার নাজমুল হক বলেন, ঘটনাটা আমাদের কাছে বিভিন্নভাবে আসছে। ওইখানে আরেকজনের একটা জমি আছে। এক পক্ষ যেতে পারছে না। যে পক্ষ তার জমিতে যেতে পারছে না তারা লোকজন নিয়ে আসছে। আর এই দুই পক্ষের ঝামেলার মধ্যে পড়ে গেছে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও।
‘এটা অন্যভাবে চলে এসেছে মিডিয়াতে। ঘটনাটা হচ্ছে এটা, যেটা হয়েছে সেটা অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি।’
হামলার ঘটনায় কেউ আটক আছে কি না জানতে চাইলে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, আমরা ওখান থেকে এখন পর্যন্ত তিনজনকে পেয়েছি। দেশি অস্ত্রসহ তাদের আটক করা হয়েছে। তথ্যসূত্র: ঢাকা পোস্ট
দেশবার্তা/একে