জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় গৃহীত সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো বিষয় চাপিয়ে দিলে তা অনৈক্য সৃষ্টি করবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জাসদ।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে দলের সভাপতি জনাব শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও সাধারণ সম্পাদক জনাব নাজমুল হক প্রধান- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় যেসব বিষয়ে সব দল একমত হয়েছে, সেগুলোই জাতীয় সনদ। এর বাইরে সরকার কোনো বিষয় চাপিয়ে দিতে চাইলে তা অনৈক্যকে অমীমাংসেয় করে তুলবে।
বিবৃতিতে তারা বলেন, সংবিধান সংস্কারের আগে গণভোটের প্রয়োজন নেই। তারপরও কমিশনে সর্বসম্মত প্রস্তাবগুলোর ওপর গণভোট নেওয়া যেতে পারে। তবে এ গণভোট দ্বারা সংবিধান পরিবর্তন করা যাবে না। বিদ্যমান সংবিধান কার্যকর থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতির আদেশে গণভোট আয়োজন সংবিধানসম্মত নয়। প্রয়োজন হলে অধ্যাদেশ জারি করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই সময়ে গণভোট নেওয়া যেতে পারে।
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, জাতীয় সংসদকে নতুন নামে অভিহিত করা সংবিধানবিরোধী। কয়েকটি দলের অবাস্তব দাবিকে ‘জুলাই সনদ’ হিসেবে প্রচার করা গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী। গণভোটের জন্য যে চারটি প্রশ্ন প্রস্তাব করা হয়েছে, তা পুরো প্রক্রিয়াটিকে হাস্যকর করে তুলেছে।
বিবৃতিতে বাংলাদেশ জাসদ যথাসময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও গোঁজামিলপূর্ণ গণভোট প্রত্যাখ্যান করেছে।
দলটি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, আর দেরি না করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার জন্য, কারণ জাতি এখন সেই ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে।
দেশবার্তা/একে