ঈদুল ফিতর ঘিরে যমুনা সেতুতে গাড়ি পারাপারের চাপ বেড়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) রাত পর্যন্ত গত ৮ দিনে যমুনা সেতুতে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ১৭ কোটি ৬৫ লাখ ৬২ হাজার ৮০০ টাকা।
প্রতি ঈদেই যমুনা সেতুতে গাড়ি পারাপারের চাপ বাড়ে এবং টোল আদায়ের পরিমাণ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ বা তারও বেশি হয়ে থাকে। এবারও ঈদকে কেন্দ্র করে যমুনা সেতুতে টোল আদায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
গত ১৬ মার্চ রাত ১২টা থেকে ২৩ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত ৮ দিনে মোট ২ লাখ ৫৪ হাজার ১৭৫টি গাড়ি পারাপার হয়েছে। এ সময় মোট টোল আদায় হয়েছে ১৭ কোটি ৬৫ লাখ ৬২ হাজার ৮০০ টাকা।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৬ মার্চ ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয় এবং টোল আদায় হয় ২ কোটি ৯৪ লাখ ৭০ হাজার ৭০০ টাকা। ১৭ মার্চ ৪৬ হাজার ৯৩৮টি যানবাহন পারাপারে টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৪৯ লাখ ৮৩ হাজার ৬৫০ টাকা। ১৮ মার্চ ৫১ হাজার ৫৯২টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫০ টাকা।
১৯ মার্চ ৪৫ হাজার ৬৩৩টি যানবাহন পারাপার হয়। ২০ মার্চ ১৬ হাজার ৯৬১টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয় ১ কোটি ২৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪৫০ টাকা। ২১ মার্চ ১৩ হাজার ৯১০টি যানবাহন পারাপারে টোল আদায় হয় ৬১ লাখ ৩ হাজার ৩০০ টাকা। ২২ মার্চ ১৮ হাজার ৩৩৭টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয় ১ কোটি ৪ লাখ ৫৭ হাজার ৯৫০ টাকা। এবং ২৩ মার্চ ২৫ হাজার ১৪৬টি যানবাহন পারাপারে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ২৮ হাজার ২৫০ টাকা।
অর্থাৎ, ১৬ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৫৪ হাজার ১৭৫টি যানবাহন থেকে সর্বমোট ১৭ কোটি ৬৫ লাখ ৬২ হাজার ৮০০ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে।
ঈদ উপলক্ষে যমুনা সেতুতে ১৮টি বুথ স্থাপন করা হয়েছিল। এর মধ্যে মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য দুই পাড়ে ২টি করে পৃথক বুথ ছিল।
যমুনা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঘরমুখো মানুষ এবার স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পেরেছেন। ঈদের আগের দিন ছাড়া তেমন কোনো যানজট দেখা যায়নি। ঈদকে ঘিরে যমুনা সেতুতে এবার বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি বা অতিরিক্ত চাপ ছিল না।
দেশবার্তা/একে