ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১০ হাজার ১০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলা শহরের গোকর্ণ ঘাট এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় অনুমোদনের চেয়ে বেশি তেল মজুত ও চড়া দামে বিক্রির দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সদর উপজেলা প্রশাসন ও র্যাব-৯-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ক্যাম্প যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। এতে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোকর্ণ ঘাট এলাকার কিছু দোকানে জ্বালানি তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। তিনটি দোকানে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১০ হাজার লিটার ডিজেল ও ১০০ লিটার অকটেন পাওয়া যায়। খোলা বাজারে বিক্রির জন্য রাখা এসব তেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র ব্যবসায়ীরা দেখাতে পারেননি।
অবৈধ মজুত ও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে তিন ব্যবসায়ীকে যথাক্রমে ২০ হাজার, ২০ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন জানান, র্যাবের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযানে তেলের অবৈধ মজুতের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং সংশ্লিষ্টদের তেল কেনাবেচার কোনো লাইসেন্স বা অনুমোদন ছিল না।
র্যাব-৯-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মো. নূরনবী বলেন, মুদিদোকান, গ্যারেজ এমনকি শ্রমিকদের থাকার জায়গায় তেলের ড্রাম লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। বাজারে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান নিয়মিত চলবে।
প্রতিনিধি/একে