এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জন করা নরসিংদী সদর উপজেলার নাসিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের কাছে ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। একই সঙ্গে পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থীও পাস না করায় আরও পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের কাছে এ ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
নাসিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের প্রধান শিক্ষকের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানটির শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনের পেছনে ‘নিয়মবহির্ভূত কৌশল’ অবলম্বনের অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর তথ্য, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর তথ্য, নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর তথ্য এবং এসএসসি পরীক্ষায় ফরমপূরণকৃত শিক্ষার্থীর তথ্য (ক্ষেত্রমত পাঠদান, বিভাগ ও অতিরিক্ত শ্রেণি শাখার অনুমতিপত্রসহ) উপস্থাপন করে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কারণ ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, পরীক্ষায় পাসের হার শূন্য হওয়া পাঁচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।
শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- কিশোরগঞ্জের জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়; রাজবাড়ীর বনগ্রাম আতারুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও জালদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং টাঙ্গাইলের গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও সলিমাবাদ আনোয়ার খাঁন মডেল উচ্চ বিদ্যালয়।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শকের দেওয়া নির্দেশে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের জবাব জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
দেশবার্তা/একে