৭ বছর পর ভারত সফরে আসছেন চীনা প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং। ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রায় ৪০০ জন সফরসঙ্গী নিয়ে এ সফরে আসছেন তিনি।
ভারতের গণমাধ্যমের তথ্যনুযায়ী, চীনা কর্মকর্তারা বর্তমানে হোটেল চূড়ান্তকরণ এবং নিরাপত্তা প্রটোকল সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
এর আগে ২০১৯ সালে নয়াদিল্লি এসেছিলেন চীনা প্রেসিডেন্ট জিনপিং। সেই সফরেরও উপলক্ষ ছিল ব্রিকস সম্মেলন এবং সেবার ২০০ কর্মকর্তার বহর নিয়ে নয়াদিল্লি এসেছিলেন তিনি।
এদিকে গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেইজিং সফরে গিয়েছিলেন। সেই সফরের আগে সর্বশেষ ২০১৮ সালে বেইজিং গিয়েছিলেন মোদি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ ৭ বছরের বিরতি ভেঙে বেইজিংয়ে সফরের পর থেকেই মূলত নয়াদিল্লি ও বেইজিংয়ের কূটনৈতিক সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে।
সীমান্ত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন ইস্যুতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দ্বন্দ্ব চলছে ভারত এবং চীনের মধ্যে। ভারতের অরুণাচল প্রদেশ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখকে বহু বছর ধরে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে চীন। ধারণা করা হচ্ছিল, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আসন্ন সফরে দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত কিছু ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে শি জিনপিং এবং নরেন্দ্র মোদির মধ্যে।
তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্রিকস সম্মেলনের অবসরে শি জিনপিং এবং নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে কি না, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এক কর্মকর্তা বলেছেন, “চীন ব্রিকস জোটকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং এ জোটের যে কোনো উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। তাছাড়া ভারত চলতি বছর সফলভাবে ব্রিকস সম্মেলন আয়োজন করছে এবং চীনের তাতে পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।”
দেশবার্তা/এমআর