গাজার পম্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় এক ফিলিস্তিনি কৃষক নিহত হয়েছেন। এছাড়াও ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে আহত হয়েছেন এক শিশুসহ দুজন। গতকাল শনিবার আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানান, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে মোহাম্মদ ফায়েক আল-আত্তার নামে একজন নিহত হয়েছেন। তাঁর মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যে, নিজের কৃষিজমিতে কাজ করছিলেন আল-আত্তার। সে সময় একটি ইসরায়েলি কোয়াডকপ্টার ড্রোন থেকে গুলি চালানো হয়। এতে তিনি নিহত হন। স্থানীয় সূত্রমতে, আল-মাসদার গ্রামের পূর্বে ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রিত এলাকার বাইরে এবং দেইর আল-বালাহ ও মাগাজি শরণার্থীশিবিরে ইসরায়েলি সামরিক যান এগিয়ে যেতে যেতে এই হামলা পরিচালনা করে।
এসব এলাকার ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর লক্ষ্য করে ব্যাপক আকারে গুলি ছোড়া হয়। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে থাকা আরেক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেও ড্রোন থেকে হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ওই ফিলিস্তিনি আহত হন।
ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্য বেসামরিকরা এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরের আল-বিরেহতে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে ১৫ বছর বয়সী এক শিশুসহ দুই ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, আল-আমারি শরণার্থীশিবিরে গুলি ছোড়ে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে আহত দুজনকে চিকিৎসা দিয়েছেন কর্মীরা। আহতদের একজন ১৫ বছর বয়সী শিশু। অপর এক তরুণ ফিলিস্তিনি পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন বলছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে প্রায় প্রতিদিনই অভিযান পরিচালনা করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে গুলিবর্ষণ, বাড়িঘরে তল্লাশি এবং গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটছে নিয়মিত।
দেশবার্তা/এমআর