ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নিয়মিত মাদ্রাসায় না যাওয়ার অভিযোগে আব্দুল্লাহ (১২) নামে এক হেফজ শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে উপজেলার কৃষ্ণনগর আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়দের হাতে আটক হন অভিযুক্ত শিক্ষক মুফতি ইব্রাহিম বিন মুজিব। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।
আহত আব্দুল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মৃত রুমান মিয়ার ছেলে। পুলিশ ও পরিবারের দাবি, প্রায় দুই বছর আগে তাকে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করা হয়। তবে মাঝেমধ্যে কাউকে না জানিয়ে সে বাড়িতে চলে যেত। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবারও সে বাড়িতে ফিরে আসে।
পরিবারের ভাষ্য, এরপর আব্দুল্লাহর মা আফরোজা বেগম অভিযুক্ত শিক্ষককে বাড়িতে ডেকে ছেলেকে আবার মাদ্রাসায় নিয়ে যেতে অনুরোধ করেন। বুধবার সকালে শিক্ষক তাকে মাদ্রাসায় নিয়ে যাওয়ার পর মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠান। একই সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নবীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ জানান, উত্তেজিত জনতার কাছ থেকে শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ স্বাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
দেশবার্তা/এমআর