৪৯তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিশেষ) পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষা ক্যাডারে ৬১১ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বরের সুপারিশের ভিত্তিতে ৬১১ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগপ্রাপ্তদের বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) অথবা সরকার নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পেশাগত ও বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে হবে। নবনিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দুই বছর শিক্ষানবিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন; প্রয়োজনবোধে এই সময়সীমা আরও দুই বছর বাড়ানো যাবে। শিক্ষানবিসকাল সন্তোষজনকভাবে শেষ হলে, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করা সাপেক্ষে চাকরি স্থায়ী করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও শর্ত দেওয়া হয়েছে, শিক্ষানবিসকাল অথবা শিক্ষানবিসকাল শেষ হওয়ার তিন বছরের মধ্যে কেউ চাকরি ছেড়ে দিলে প্রশিক্ষণকালে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা, অগ্রিম, ভ্রমণ ব্যয়সহ তাঁর পেছনে সরকারের ব্যয় করা যাবতীয় অর্থ ফেরত দিতে হবে। এ ছাড়া চাকরিতে যোগদানের সময় কর্মকর্তা ও তাঁর পরিবারের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিবরণী জমা দিতে হবে এবং প্রতি পাঁচ বছর পর পর সম্পদের হ্রাস-বৃদ্ধির হিসাব দাখিল করতে হবে। তবে যোগদানের জন্য কোনো ধরনের ভ্রমণ বা দৈনিক ভাতা (টিএ/ডিএ) দেওয়া হবে না।
শর্তাবলীতে রাজি থাকলে নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১২ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যোগদানে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী চাকরিতে অসম্মতি জানিয়েছেন ধরে নিয়ে তাঁর নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য করা হবে।
দেশবার্তা/একে