খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে আধাবেলা সড়ক ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ। সাজেকে সড়ক অবরোধ চলাকালে অবরোধকারীদের ওপর হামলার অভিযোগে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) সকাল থেকে অবরোধ চলাকালে খাগড়াছড়িতে চোরাগুপ্তা পিকেটিংয়ের ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে সড়কে তেমন উত্তাপ দেখা যায়নি। সড়কে টায়ার জ্বালানোর চেষ্টা করা হলেও পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে প্রশাসনের সক্রিয় অবস্থানের কারণে অবরোধকারীরা তেমন সক্রিয় হতে পারেননি।
তবে খাগড়াছড়ির সঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া খাগড়াছড়ির নয়টি উপজেলায় সড়কে যানবাহন চলাচল তুলনামূলক কম ছিল। অবরোধের সমর্থনে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের ফায়ার সার্ভিস এলাকা ও উপজেলার নিচে রেড স্কয়ারে টায়ারে আগুন দেন পিকেটাররা।
এ সময় সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অবস্থান ত্যাগ করেন পিকেটাররা। এ ছাড়া খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের বাইল্ল্যাছড়ি, পানছড়ি সড়ক ও সাজেক সড়কের বিভিন্ন স্থানে কাঠের গুঁড়ি ফেলে এবং টায়ারে আগুন দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন অবরোধকারীরা।
তবে সকালে কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। শহরের বিভিন্ন স্থানে টহল দল কাজ করছে।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কায় কিসলু বলেন, অবরোধে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে। শহরের চেঙ্গী স্কয়ার, স্বনির্ভর, জিরো মাইল ও আলুটিলাসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশের উপস্থিতি রয়েছে। এ ছাড়া পুলিশের দুটি মোবাইল টিম কাজ করছে।
প্রতিনিধি/আরএইচ