কুমিল্লার বরুড়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে পৌরসভার নয়নতলা, পাঠানপাড়া ও ডেউয়াতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। একসঙ্গে এত মানুষের কুকুরের কামড়ের শিকার হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন বরুড়ার বাসিন্দা ও ঝলম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সরকারি অধ্যাপক মাসুদ মজুমদার (8৮), ফারহানা আক্তার (৩৫), মনু মিয়া (৭২), তাঁর ছেলে ইকবাল (২৮), তানিয়া (৪৮) ও ফাহিমা বেগম (২৩)। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ফারহানা আক্তারের স্বামীর নাম মনির, মনু মিয়ার বাবার নাম মকরম আলী, তানিয়ার স্বামীর নাম ফরিদ এবং ফাহিমা বেগমের বাবার নাম দুলাল।
বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত একজন চিকিৎসক কুকুরের কামড়ে প্রায় ২৫ জন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, একই সময়ে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরের কামড়ের ঘটনা ঘটায় জনমনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পৌরসভা প্রশাসক এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। কুকুরটি দেখতে পেলে কাছে যাওয়া, উত্ত্যক্ত করা কিংবা ধরার চেষ্টা না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের শিকার হলে ক্ষতস্থান সাবান ও প্রবহমান পানি দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ভালোভাবে ধুতে হবে। এরপর দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জলাতঙ্ক একটি প্রাণঘাতী রোগ হলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় টিকা ও চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
দেশবার্তা/জেএ