কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া এলাকায় আহমদ নামের এক ভূমিদস্য কবলে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে ইব্রাহিম নামের এক কৃষক। শুধু তার জমি দখল করেনি তার দশম শ্রেণীর পড়ুয়া মেয়েকে অপহরণ করে অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় শালীস বিচার থানা পুলিশ ও আদালতে গড়ালেও কোন সূরা হয়নি। বর্তমানে বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী ইব্রাহীম।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইব্রাহিম জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল আহম্মদ ও মোহাম্মদের সাথে। ওই চক্রের আরো লোকজন রয়েছে, তারা হলেন, হাবিবুর রহমান মিন্টু, ৬ নম্বর পাটোয়া ভাঙ্গা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ, মুক্তার,মানিকসহ আরো অনেকে। গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তার মেয়ে সাদিয়াকে অপহরণ করে আহাম্মদ গ্রুপের লোকজন। এ সময় সন্ত্রাসীদের বাধা দিলে ইব্রাহিমের উপর হামলা চালায় তারা। পরে ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুইদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বাসায় ফিরে জানতে পারেন তার মেয়েকে সিলেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করলে থানা পুলিশ সিলেট থেকে তার মেয়েকে উদ্ধার করে। কিন্তু সূচতুর আহমদ করে নাবালিকা মেয়েকে বিয়ে করিয়ে দেয়। পাশাপাশি ইব্রাহিমের তিন একর জমিয় করায়ত্ব করে আহমদ।
ইব্রাহিম জানান, তিনি বিএনপির সমর্থক হওয়ায় আওয়ামী লীগ আমলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে ৩৫টি মামলা দিয়েছে আহাম্মদ। তৎকালীন এমপির যোগসাজশে এসব মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে বিএনপি সরকার ক্ষমতা আসলেও বিএনপিপন্থী এই কৃষক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসরদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন গেছে
বর্তমানে ইব্রাহিমকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছেন।নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা এই কৃষক তার অপহৃত মেয়েকে উদ্ধার ও তার নিজ জমি ফেরতের ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষে কামনা করেছেন।
দেশবার্তা/আরএইচ