সাগরে প্রতিদিন সক্রিয় চীনের ১০০ যুদ্ধজাহাজ, বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশ্ব

এশিয়ার অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্য ও নৌপরিবহন রুটগুলোতে প্রতিদিন প্রায় ১০০টি চীনা যুদ্ধজাহাজ সক্রিয় থাকছে। বিপুলসংখ্যক রণতরির এই ধারাবাহিক

2026-11-07T16:02:29+06:00
2026-11-07T16:02:29+06:00
শনিবার ● ৭ নভেম্বর ২০২৬,
২২ কার্তিক ১৪৩৩
 ইপেপার   আর্কাইভ   ভিডিও 
চলমান বার্তা:
বিশ্ব
সাগরে প্রতিদিন সক্রিয় চীনের ১০০ যুদ্ধজাহাজ, বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:০২ পিএম 
⏲
সংগৃহীত ছবি
এশিয়ার অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্য ও নৌপরিবহন রুটগুলোতে প্রতিদিন প্রায় ১০০টি চীনা যুদ্ধজাহাজ সক্রিয় থাকছে। বিপুলসংখ্যক রণতরির এই ধারাবাহিক উপস্থিতি মার্কিন সামরিক পরিকল্পনাবিদদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ তৈরি করেছে। একসময় আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে পরিচিত চীনা নৌবাহিনী এখন বৈশ্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে উপস্থিতি জোরদার করছে, যা উপেক্ষা করা ওয়াশিংটনের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের নৌবহরে এখন ৪০০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন রয়েছে, যা মার্কিন নৌবহরের তুলনায় প্রায় ৩৫ শতাংশ বড়। বিশ্বজুড়ে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণে শীর্ষ স্থানে থাকায় চীন দ্রুত আধুনিক যুদ্ধজাহাজ তৈরি করতে পারছে। সাংহাইয়ের কাছাকাছি যে কারখানাগুলোতে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ তৈরি হয়, সেখানেই নির্মিত হচ্ছে উভচর যুদ্ধজাহাজ, ডেস্ট্রয়ার ও ফ্রিগেট।

চীনা নৌবাহিনীর এ তৎপরতা দক্ষিণ চীন সাগর, তাইওয়ান প্রণালি, ফিলিপাইনের পূর্বাঞ্চল, জাপানের দক্ষিণ উপকূল এবং এডেন উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বেইজিংয়ের সাবমেরিন উৎপাদনও বেড়েছে বহুগুণে। মার্কিন সামরিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ বছরের মধ্যে চীনা সাবমেরিনগুলো ভারত ও আটলান্টিক মহাসাগরে নিয়মিত টহল দেবে।

সাগরে দীর্ঘ সময় মোতায়েন থাকার সক্ষমতাও বাড়িয়েছে বেইজিং। ‘গ্লোবাল টাইমস’ জানায়, চীনের ৪৮তম এসকর্ট টাস্কফোর্স ৩৭৮ দিন সমুদ্রে অবস্থান করে ১ লাখ ৫০ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ অতিক্রম করেছে। 

বেইজিংয়ের সামরিক বিশেষজ্ঞরা জানান, রসদ সরবরাহ ও সরঞ্জামের আধুনিকতায় তাদের টাস্কফোর্সগুলো এখন ৩০০ দিনের বেশি সাগরে অবস্থান করতে পারছে। এক্ষেত্রে জিবুতির ঘাঁটি ও কম্বোডিয়ার নতুন যৌথ স্থাপনা বড় ভূমিকা রাখছে।

সামুদ্রিক শক্তিকে জাতীয় শক্তির ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই নৌ-সম্প্রসারণে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইন্দো-প্যাসিফিকের উত্তেজনা এবং তাইওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগর কেন্দ্রিক বিরোধের প্রেক্ষাপটে মার্কিন কমান্ডাররা ধারণা করছেন, চীন শিগগিরই তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।

বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ নির্মাণ শিল্প বড় সংকটে পড়েছে। গত ২০ বছরে বাজেট দ্বিগুণ হলেও মার্কিন নৌবহরের আকার ২০০৩ সালের পর আর বাড়েনি। এছাড়া নতুন ফ্রিগেট নির্মাণ, ক্রুজারের মেয়াদ বাড়ানো এবং লিটোরাল কমব্যাট শিপ পরিচালনার প্রকল্পগুলো চরম ব্যর্থতার মুখে পড়েছে।

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

এখনও সক্রিয় ওষুধ চুরির সিন্ডিকেট, অসহায় কর্তৃপক্ষ
চালু হলো সামিটের এলএনজি টার্মিনাল, বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ
৭ কিলোমিটার পথ হেঁটে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রী
দিনাজপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি
বরুড়ার নতুন সহকারী কমিশনার বিশাল দাস

সর্বাধিক পঠিত 

দিনাজপুরে তারুণ্য মেলা-২০২৬ উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক
চট্টগ্রাম ওয়াসায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিল্পব ও সংহিত দিবস পালিত
অপপ্রচার ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সশস্ত্র বাহিনীর সুদৃঢ় অবস্থান
ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছে নির্যাতিত শিশুটি, চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু
টেকনাফে ইয়াবার চালান নিয়ে বিরোধে পাহাড়ে নির্যাতন, নিহত ২
বিশ্ব- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]
Advertisement