রাজবাড়ীতে নিখোঁজের তিনদিন পর পদ্মা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মাথাবিহীন একটি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সকালে গোয়ালন্দ উপজেলার ছোট ভাকলা ইউনিয়নের চরবরাট এলাকার পদ্মা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতের নাম জিহাদ সরদার (২৫)। তিনি উপজেলার ছোট ভাকলা ইউনিয়নের চরবরাট গ্রামের শহিদ সরদারের ছেলে। জিহাদ নারায়নগঞ্জে ঠিকাদারের অধিনে ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির কাজ করতেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে জিহাদ নারায়ণগঞ্জ থেকে বাড়িতে আসে। এরপর তার চাচাতো ভাই সোহাগের সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর রাত ৮টার দিকে আবার বাড়িতে আসে। রাত নয়টার দিকে খাওয়া শেষ করে আবারও সোহাগের সাথে বাড়ি থেকে বের হয়। জিহাদের বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় রাত ১২ টার দিকে জিহাদের স্ত্রী মেঘনা ফোন করে তাকে বাড়ি আসতে বলে। জিহাদ একটু পরে আসবে বলে জানায়। এরপর রাত দুইটার দিকে আবারও জিহাদকে ফোন করা হলে সে ফোন রিসিভ করে না। পরে ফোন কল ব্যাক করলে জিহাদের মা ফরিদা বেগম কথা বলে। তখনও বলে কাজে আছে একটু পরে আসবে। রাত তিনটার দিকে তাকে আবারও ফোন দেওয়া হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকেই জিহাদ নিখোঁজ ছিলেন। রোববার জিহাদের বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে পদ্মা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে জিহাদের পরিবারের লোকজন মরদেহটি জিহাদের বলে শনাক্ত করে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাবিবুল ইসলাম জানান, ‘নৌপুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে জিহাদের পরিবার মরদেহটি জিহাদের বলে শনাক্ত করেছে। মরদেহটি মাথাবিহীন হওয়ায় ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’