আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লালমনিরহাট জেলায় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ২০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, তথ্যগত ত্রুটি ও আইনি জটিলতার কারণে ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ এবং দুই প্রার্থীর মনোনয়ন অপেক্ষামান তালিকায় রাখা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এইচ এম রকিব হায়দারের সভাপতিত্বে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলার তিনটি আসনে মোট ২৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনে ৪ জন এবং লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে ১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এছাড়া, দুইজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে।
যাচাই-বাছাইকালে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এইচ এম রকিব হায়দার প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, “সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে বদ্ধপরিকর। নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”
তিনি আরও জানান, যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন। আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রম ঘিরে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পুরো প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিনিধি/আরএইচ