ডিবির সোর্স জালাল হত্যা, দুই পুলিশসহ ৩ আসামির যাবজ্জীবন

দেশবার্তা ডেস্ক

জাতীয়

রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের ছাদে পানির ট্যাংকে ‘সোর্স’ জালাল আহমেদ শফিকে হত্যার দীর্ঘ দুই যুগ পর রায়

2026-05-03T16:24:10+06:00
2026-05-03T20:13:51+06:00
সোমবার ● ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
 ইপেপার   আর্কাইভ   ভিডিও 
চলমান বার্তা:
জাতীয়
ডিবির সোর্স জালাল হত্যা, দুই পুলিশসহ ৩ আসামির যাবজ্জীবন
দেশবার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ৩ মে, ২০২৬, ৪:২৪ পিএম  আপডেট: ০৩.০৫.২০২৬ ৮:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের ছাদে পানির ট্যাংকে ‘সোর্স’ জালাল আহমেদ শফিকে হত্যার দীর্ঘ দুই যুগ পর রায় ঘোষণা করা হয়েছে। দুই পুলিশ সদস্যসহ তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোসাদ্দেক মিনহাজ এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন। রোববার সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সায়েদুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- হাবিলদার মো. বিল্লাল হোসেন, কনস্টেবল মো. আবদুর রউফ এবং ডিবি কার্যালয়ের ক্যান্টিন পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে ডিবি পরিদর্শক মো. জিয়াউল হাসান বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন কনস্টেবল আব্দুল মালেক।

যেভাবে উদ্ধার হয়েছিল মরদেহ

১৯৯৯ সালের ২৫ মার্চ ডিবি কার্যালয়ের ছাদের পানির ট্যাংক থেকে জালাল আহমেদের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি পেশায় মাইক্রোবাসচালক ছিলেন এবং ডিবি পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন। ১৯৯৯ সালের ২০ মার্চ গভীর রাতে ডিবি কার্যালয়ের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। পরে ৩১ মার্চ পরিবারের সদস্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে গিয়ে তার লাশ শনাক্ত করেন।

হত্যার নেপথ্যে স্বর্ণের বখরা

সিআইডির অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ডিবি পরিদর্শক জিয়াউল হাসান বিমানবন্দর এলাকায় সোনা ও মাদক চোরাচালানের তথ্য পেতে জালালকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করতেন। জালালের তথ্যে চোরাচালানের মাল ধরা পড়লেও তাকে প্রাপ্য বখরা দেওয়া হতো না। ১৯৯৯ সালের ১৩ মার্চ জালাল একটি সোনা চোরাচালানের তথ্য অন্য একটি গোয়েন্দা সংস্থাকে দিলে ক্ষুব্ধ হন জিয়াউল। এর জেরে ১৯ মার্চ রাতে তাকে ডেকে নিয়ে হত্যার পর মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়।

দুই যুগের বিচারিক পথ

হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৫ মাসের মাথায় ১৯৯৯ সালের অগাস্টে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও বিচার শেষ হতে সময় লেগেছে ২৬ বছর। উচ্চ আদালতের নির্দেশে পিপি পরিবর্তন এবং ২৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই রায় দিলেন বিচারক।

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

গ্রাম আদালত কার্যক্রমে জনসচেতনতা বাড়াতে কুড়িগ্রামে সমন্বয় সভা
সিসিটি ও এনসিটি ইজারা বন্ধের দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দর অভিমুখে বিক্ষোভ
নভেম্বরের মাঝামাঝিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি মাছউদ
চট্টগ্রামে বসবে আরও ৯৪ পানির এটিএম বুথ
শিপব্রেকিং সেক্টরে দক্ষ জনবল তৈরিতে কাজ করবে কোরিয়া

সর্বাধিক পঠিত 

দুর্নীতির অভিযোগে বিআরটিএ চট্টগ্রাম সার্কেল-১ ডিডির অপসারণ দাবি
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে আলোচনায় শফিকুল আলম শিপলু
এক মাসেও এল না ছাত্রদলের নতুন কমিটি, নেপথ্যে কী
শৃঙ্খলা ও মানবিকতায় দেশ গড়তে স্কাউটদের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর
তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান
জাতীয়- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]