পশ্চিমবঙ্গে গুজরাট-মিয়ানমারের মাছ ‘বাংলাদেশি ইলিশ’ বলে বিক্রি

দেশবার্তা ডেস্ক

বিশ্ব

পশ্চিমবঙ্গের বাজারে টনের পর টন প্রবেশ করছে গুজরাট, মুম্বাই ও মিয়ানমারের ইলিশ। তবে ‘স্বাদ ও গন্ধহীন’ এসব মাছকে

2026-09-07T16:59:31+06:00
2026-09-07T16:59:51+06:00
সোমবার ● ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
 ইপেপার   ভিডিও 

সোমবার ● ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চলমান বার্তা:
বিশ্ব
পশ্চিমবঙ্গে গুজরাট-মিয়ানমারের মাছ ‘বাংলাদেশি ইলিশ’ বলে বিক্রি
দেশবার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৯ পিএম  আপডেট: ০৭.০৯.২০২৬ ৪:৫৯ পিএম
পশ্চিমবঙ্গের বাজারে টনের পর টন প্রবেশ করছে গুজরাট, মুম্বাই ও মিয়ানমারের ইলিশ। তবে ‘স্বাদ ও গন্ধহীন’ এসব মাছকে বাংলাদেশের সুস্বাদু ইলিশ বলে চড়া দামে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে ইলিশ কিনতে গেলে অসাধু বিক্রেতারা ভারত ও মিয়ানমারের ইলিশকে বাংলাদেশি হিসেবে গছিয়ে দিচ্ছেন। বাসায় নিয়ে রান্নার পর দেখা যাচ্ছে, সেসব ইলিশে আসল পদ্মার ইলিশের মতো কোনো স্বাদ বা সুবাস নেই।

স্বাদহীন এসব মাছ কেজিপ্রতি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ রুপি পর্যন্ত চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে স্থান ও বাজারভেদে এই দামের কিছু তারতম্য রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের ভোজনরসিক বাঙালিদের কাছে বাংলাদেশের ইলিশের চাহিদা বরাবরের মতোই তুঙ্গে। বিশেষ করে দুর্গাপূজার মৌসুমে কলকাতার বাজারগুলোতে বাংলাদেশি ইলিশের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন সাধারণ মানুষ। এই অতিরিক্ত চাহিদাকে পুঁজি করেই ক্রেতাদের প্রতারিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, ভারত ও মিয়ানমারের ইলিশকে বাংলাদেশি ইলিশ হিসেবে বিক্রির পাশাপাশি স্থানীয় নদীর ইলিশকে প্লাস্টিকের প্যাকেটে মুড়িয়ে গ গায়ে ‘বাংলাদেশি ইলিশ’ সিল মেরে বিক্রি করা হচ্ছে। এমনকি এসব প্যাকেটের গায়ে মেয়াদ কিংবা অন্যান্য জরুরি তথ্যের সঠিক উল্লেখ থাকছে না। তবে মাছ ব্যবসায়ীরা এই জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি বাজারে একযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে স্থানীয় পৌরসভা ও খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। পরিদর্শনের পাশাপাশি বাজারে বিক্রি হওয়া মাছের উৎস, ক্রয়ের রসিদ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ নিউমার্কেটের ‘মা মনসা ফিস সেন্টার’ এর কর্ণধার যাদব হালদার বলেন, খাদ্য দপ্তরের কর্মকর্তারা তাদের দোকানে এসে ইলিশ মাছ পরীক্ষা করেছেন। মাছগুলো কোথা থেকে কেনা হয়েছে, সে-সংক্রান্ত নথিও তারা দেখতে চেয়েছেন।

যাদব হালদারের দাবি, তারা উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতের একটি মাছের দোকান থেকে ইলিশ কিনে আনেন। বাংলাদেশের মাছ আলাদা করে দেওয়া হচ্ছে এবং তারিখও উল্লেখ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করে খাদ্য দপ্তরে জমা দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

এদিকে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানি বা আসার ওপর কড়াকড়ি থাকা সত্ত্বেও কলকাতার বাজারে ‘বাংলাদেশি ইলিশ’ সরবরাহের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ ক্রেতারা। অসাধু চক্র যাতে ইলিশের ঐতিহ্য ও ক্রেতাদের বিশ্বাস ভাঙতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৩১৪
শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর
চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার গায়েব
‘এক উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের ভোট একসঙ্গে’
মাগুরায় গুদামে অভিযান, ৩২৮ বস্তা সার জব্দ: আটক ২

সর্বাধিক পঠিত 

মোরেলগঞ্জে সবুজের বার্তা ছড়াচ্ছেন সাবেক অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আল আজাদ
প্রতারণার মামলায় হাইকোর্টে বিদিশার জামিন
জামায়াত আমিরের বক্তব্যের কড়া জবাব চসিক মেয়রের
সোমবার থেকে মিলবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতের টাকা
‘আজও বিশ্বাস হয় না, তুমি নেই সালমান’
বিশ্ব- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]