শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

দেশবার্তা প্রতিবেদক

জাতীয়

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর কোনো আইনি সুযোগ থাকে না

2026-09-07T17:41:58+06:00
2026-09-07T17:41:58+06:00
সোমবার ● ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
 ইপেপার   ভিডিও 

সোমবার ● ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চলমান বার্তা:
জাতীয়
শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর
দেশবার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪১ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর কোনো আইনি সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। 

তিনি স্পষ্ট করেন, আইন সবার জন্য সমান; পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা- কারো ক্ষেত্রেই নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন।

আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। তিনি যেকোনো কারণেই হোক দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না, আপিলও করেননি। আমাদের আইনে ২১-এর ৩-এ পরিষ্কার বলা হয়েছে যে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। যদি এর মধ্যে আপিল করা না যায়, তাহলে আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সেটা যে কারো ক্ষেত্রেই হোক। পলাতক বা কারাগারে থাকলেও ৩০ দিনের মধ্যে আপিল ফাইল করতে হবে। অর্থাৎ সেটা হোক শেখ হাসিনার কিংবা মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।’

সম্প্রতি আপিল বিভাগে মাওলানা আজাদের আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আমি এসব আইন দেখিয়েছি। এছাড়া মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিলটি এখনও গ্রহণই করেননি আপিল বিভাগ। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে এখন কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই। আমার মনে হয় আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তারা আর নেননি।’

আইনি সময় পার হয়ে গেলে রায়ের প্রয়োগ ছাড়া উপায় থাকে না জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করা হলে অন্য কোনো ফোরামে প্রতিকার চাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ট্রাইব্যুনালের রায় কার্যকর করা ছাড়া বিকল্প থাকে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার। এটি সরকারের একটা ইনহেরেন্ট পাওয়ার তথা অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা। তারা যে কারো ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করতে পারে আবার কারো ক্ষেত্রে নাও করতে পারে। এটা সরকারের ইচ্ছা।’

দেশবার্তা/একে


সর্বশেষ সংবাদ 

পিরোজপুরে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় একজনের ৭ বছরের কারাদণ্ড
আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৬ শতাংশ, তবে মজুরির চেয়ে ব্যয় বেশি
বোয়ালমারীতে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু
মোরেলগঞ্জে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী, বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ
রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে সিলেটে নানা কর্মসূচি

সর্বাধিক পঠিত 

গ্রাহকসেবার মান বাড়াতে কমিউনিটি ব্যাংকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
মোরেলগঞ্জে সবুজের বার্তা ছড়াচ্ছেন সাবেক অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আল আজাদ
জামায়াত আমিরের বক্তব্যের কড়া জবাব চসিক মেয়রের
সোমবার থেকে মিলবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতের টাকা
‘আজও বিশ্বাস হয় না, তুমি নেই সালমান’
জাতীয়- এর আরো খবর 
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক অফিস: গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম একে খন্দকার সড়ক, মহাখলী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।
www.thedailydeshbarta.com
Mobile: 01816-185722, Email: [email protected]