পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় আলমগীর হোসেন (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের দুবাইপ্রবাসী সান্টু আকনের স্ত্রী সাহিদা বেগমের (৩৮) প্রতি কুদৃষ্টি পড়ে একই এলাকার আলমগীর হোসেনের। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি আলমগীর হোসেন সাহিদা বেগমের ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
এ সময় আত্মরক্ষার্থে সাহিদা বেগম ঘরে থাকা একটি ছুরি দিয়ে আলমগীর হোসেনের শরীরের সংবেদনশীল স্থানে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় তার শরীরের একটি অংশ ঘটনাস্থলে পড়ে থাকে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই অংশসহ একটি মাফলার, জ্যাকেট ও এক জোড়া জুতা জব্দ করে। এ ঘটনায় সাহিদা বেগম বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় মামলা করেন। পরে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
সাক্ষ্য-প্রমাণ ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত সোমবার আলমগীর হোসেনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিরোজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি।
প্রতিনিধি/আরএইচ