ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক আসাদুল ইসলামের (৩৫) মরদেহ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দুই দিন পর বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।
গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ও সন্ধ্যা ৬টার দিকে রামনা-চান্দোহর সীমান্তের ৩৩৩/২-এস পিলার এলাকার শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লা আল মইনের নেতৃত্বে বিজিবির প্রতিনিধিদল এবং ভারতের চাদগাঁও বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার সূরিয়া পালের নেতৃত্বে বিএসএফ সদস্যরা অংশ নেন।
এ সময় দিনাজপুর ৪২ বিজিবির লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লা আল মইন, বৈরচুনা বিজিবি তিন ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার শাহ আলম, পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল হাকিমসহ বিজিবির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিএসএফের পক্ষে চাদগাঁও ক্যাম্পের কমান্ডার সূরিয়া পালসহ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পতাকা বৈঠক শেষে বিজিবি আসাদুলের মরদেহ তাঁর স্ত্রী ও চাচাতো ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাতে পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের ভবানীপুর ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে আসাদুল (৩৩) নিহত হন।
এ ঘটনায় আরও দুই বাংলাদেশি—ইন্দ্রইল গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে মোস্তাকিন (৩৪) এবং মনসা বর্মনের ছেলে উষা চন্দ্র রায় (৩৫) আহত হয়ে বিএসএফের হাতে আটক হন। এছাড়া একই গ্রামের মৃত তাশির উদ্দীনের ছেলে আইয়ুব আলী (৪০) পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
প্রতিনিধি/আরএইচ