সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ ও পাবলিক সেক্টর করপোরেশনসহ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ফুল ইলেকট্রিক ভেহিকল (এফইভি) বা পূর্ণ বিদ্যুচ্চালিত কার ও জিপ কেনার সর্বোচ্চ মূল্যসীমা এবং কারিগরি স্পেসিফিকেশন নির্ধারণ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা-৪ শাখা থেকে সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের গ্রেড-২ ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা পাবেন ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নির্ধারিত এ সর্বোচ্চ মূল্যসীমার মধ্যেই রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ যাবতীয় খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সেই সঙ্গে গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগ জারীকৃত অন্যান্য প্রচলিত সব নির্দেশনা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, সাধারণ কার ক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মূল্যসীমা ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার জন্য কমপক্ষে ৯৫ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫০ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি ক্যাপাসিটি, ৪০০ কিলোমিটার রেঞ্জ এবং ৮০ কিলোওয়াটের ডিসি ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকা বাধ্যতামূলক।
গ্রেড-৩ ও তদনিম্ন কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য জিপের সর্বোচ্চ মূল্যসীমা ৫৫ লাখ টাকা করা হয়েছে, যেখানে ন্যূনতম ১৫০ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫৫ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি ক্যাপাসিটি এবং ৪০০ কিলোমিটার রেঞ্জ থাকতে হবে।
অন্যদিকে গ্রেড-২ ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের জন্য জিপ ক্রয়ের সর্বোচ্চ মূল্যসীমা ৭৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার স্পেসিফিকেশনে অন্তত ২০০ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫৫ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি ক্যাপাসিটি এবং ৪৩০ কিলোমিটার রেঞ্জ থাকা আবশ্যক।
এছাড়া সব শ্রেণির বৈদ্যুতিক যানবাহনের জন্যই কমপক্ষে ৮০ কিলোওয়াটের ডিসি ফাস্ট চার্জিং সুবিধা এবং ন্যূনতম ৮ বছরের ব্যাটারি ওয়ারেন্টি থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
দেশবার্তা/এমআর