মাগুরা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে নাজমা খাতুন (৩০) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আহত নাজমা খাতুন মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মহেশপুর গ্রামের প্রবাসী রইচ মৃধার স্ত্রী। বর্তমানে তিনি মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত নাজমা খাতুনের অভিযোগ, মহেশপুর গ্রামের কামাল মৃধাকে জমি কেনার জন্য তিনি ২৫ লাখ টাকা দিয়েছেন। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকার চেক এবং ১৫ লাখ টাকার স্ট্যাম্প নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য দারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম প্রদীপ তাকে চাপ দিয়ে আসছেন। এ ঘটনায় তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়া হয়েছে এবং আরও ১ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
নাজমা খাতুন বলেন, টাকা দিতে এবং মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে ব্যাংকে যাওয়ার পথে মাগুরা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় একটি প্রাইভেট কারে করে কয়েকজন তাঁকে অপহরণের চেষ্টা করেন। গাড়িটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-৩৬-০৯৫৫। পরে মিরুল মৃধা, কুতুব মৃধা ও মুকুল মৃধা তাঁকে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। গাড়িতে আরও কয়েকজন ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম প্রদীপের ইন্ধন রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নাজমা খাতুন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রফিকুল ইসলাম প্রদীপ বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারে কোনো কিছুই জানি না। আমার ইন্ধনে মারধর ও চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি উনাকে চিনি না।’
এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবুবক্কার বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রতিনিধি/আরএইচ