কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা ও আট মাস বয়সী ভাতিজিকে কুপিয়ে ও আছড়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে ইমন (২৫) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহত নারীর পুত্রবধূ গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা অভিযুক্ত ইমনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
নিহতরা হলেন বড়শালঘর গ্রামের ফরিদ মিয়ার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৬৫) ও তাঁর আট মাস বয়সী নাতনি ইসরাত। এ ঘটনায় পেয়ারা বেগমের পুত্রবধূ রাবেয়া বেগম (৩৫) গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ইমন হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে দা দিয়ে তাঁর মা পেয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এরপর আট মাস বয়সী ভাতিজি ইসরাতকে আছড়ে হত্যা করেন। এ সময় বাধা দিতে এগিয়ে এলে ভাবি রাবেয়া বেগমকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন তিনি।
পরে স্থানীয়রা আহত রাবেয়া বেগমকে উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। একই সময়ে তারা অভিযুক্ত ইমনকে আটক করে পাশের একটি ঘরে আটকে রাখেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাঁকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মরিুজ্জামন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইমনকে আটক করা হয়েছে। ইমন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তবে ঠিক কী কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা বিস্তারিত পরে জানাতে পারব।’
প্রতিনিধি/আরএইচ